Blog

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ করতে সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক সরকার প্রয়োজন।

“আজবাংলা ডট ইন‍” অনলাইন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক প্রভাকর রায় এবং “ইউথিং এ্যাকশান” সংগঠনের রাজ্য সভাপতি (পশ্চিমবাংলা) দিব্যতনয় জোয়ারদার আজ সকালে আমাদের জিবসান কোস্পানীর অফিসে আসেন এবং বাংলাদেশ প্রসঙ্গে দীর্ঘ সময় আলোচনা করেন। এসময় প্রভাকর রায় বলেন, ১৭ই জুলাই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিকট বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মী প্রিয়া সাহার অভিযোগ প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক বাংলাদেশে যে কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। তিনি আরও বলেন, প্রিয়া সাহার অভিযোগের যথেষ্ট সত্যতা রয়েছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য পরিদর্শন করলে এর প্রমাণ পাওয়া যাবে। প্রিয়া সাহা বলেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৩ কোটি ৭০ লাখ লোক নিখোঁজ রয়েছেন। আমি মনেকরি ভারতের বাংলা অধ্যুষিত অঞ্চল গুলোতে খোঁজ নিলে এর চেয়ে বেশি পরিমান বাংলাদেশী লোক পাওয়া যাবে, যারা ১৯৪৭ সালের পর মৌলবাদী মুসলমানদের অত্যাচার কারণে দেশ ছেড়ে ভারতে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়েছিল। তারা এখনও ভারতের মাটিতে উদ্বাস্তু হিসাবে বসবাস করছে। মানবাধিকার কর্মী প্রিয়া সাহার অভিযোগকে সময়োপযোগী অভিযোগ হিসাবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমস্ত সংখ্যালঘু সংগঠন এমনকি ভারতের সমস্ত হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের উচিত প্রিয়া সাহার পাশে দাড়াঁনো।
whsc photo
During meeting
বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা খুবই ক্রান্তিকাল পার করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে তথাকথিত অসাম্প্রদায়িক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও সংখ্যালঘু নির্যাতন কখনো বন্ধ থাকেনি বরং সংখ্যালঘু নির্যাতন অন্য যেকোন সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। তাই এই জুলুমবাজ সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নতুন, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে না পারলে বাংলাদেশে কখনোই সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ হইবে না। ইউথিং এ্যাকশান কমিটির সভাপতি দিব্যতনয় জোয়ারদার বলেন, আমি বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ সফর করেছি এবং বাংলাদেশর বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের সাথে কথা বলেছি। সংগঠন গুলোর মাধ্যমে জানতে পারলাম, বর্তমান সরকারের আমলে হিন্দু নির্যাতন বহুগুণে বেড়ে গেছে। তারা আরও জানিয়েছন যে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সবচেয়ে বড় সংগঠন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সংখ্যলঘুদের কল্যাণে কাজের পরিবর্তে সবসময় সরকারের তোষামোদ ও ভাবমূর্তী রক্ষায় ব্যস্ত থাকে। তারা সংখ্যালঘু নির্যাতনের সঠিক তথ্য কখনোই বহিঃবিশ্বে তুলে ধরেনি। তাদের কার্য়ক্রম দেখলে যে কারও মনে হবে, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার টেন্ডার নিয়েছে ! এজন্যই তারা প্রিয়া সাহাকে বহিঃস্কার করেছেন।  উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটির সভাপতি শিপন কুমার বসু, জিবসান কোস্পানীর ম্যানেজার তপ প্রকাশ সানা, ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটির প্রধান গণমাধ্যম সমন্বয়ক নিহার রঞ্জন বিশ্বাস।  Reported by Nihar Ranjan Biswas, Chief media Coordinator of WHSC