Blog

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রতিমা ভাঙচুরকারীদের উত্সাহিত করবে!

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন প্রতিমা ভাঙচুরের সব ঘটনা উদ্দেশ্য প্রণোদিত না, কিছু ঘটনা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণেও ঘটেছে। আমি তার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সকল সনাতনী দাদা ও দিদিদের অনুরোধ করছি স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর জন্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রমাণ হয় যে হিন্দুরাই নিজেদের প্রতিমা ভাংচুর করে মুসলমানদের উপর দোষ চাপাচ্ছে! আমি স্বরাস্ট্রমন্ত্রী কে চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি যে, আজ পর্যন্ত কোন হিন্দু নিজেদের প্রতিমা ভাঙচুর করেনি। বরং প্রতিমা ভাঙচুর করতে গিয়ে কেউ ধরা পরলে আপনার প্রশাসন ও আওয়ামী নেতারাই তাকে পাগল ও মানসিক রোগী সাঁজিয়ে বাঁচিয়ে দিয়েছে; এর যথেষ্ঠ প্রমাণও রয়েছে।   স্বরাস্ট্রমন্ত্রীকে বলতে চাই হিন্দুরা নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্ধ করলেও কখনো প্রতিমা ভাংচুর করেনা বরং আলাদাভাবে পূজার আয়োজন করে পূজার সংখ্যা বৃদ্ধি করে, যার কারণে আপনারা বলতে পারেন এই বছর দেশে ৩১,১০০ পূজা অনুষ্ঠিত হইবে। স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে আরও প্রমাণ হয় যে, সরকার ও আওয়ামী লীগ প্রতিমা ভাংচুরকারীদের পরোক্ষ মদতদাতা। যদি তাই না হবে তাহলে আজ পর্যন্ত একটি ঘটনারও ন্যায় বিচার নিশ্চিত হয়নি কেন ? তাছাড়াও আপনি বলেছেন, পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তায় সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে তিন লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এখন প্রশ্ন হলো যে, দুর্বৃত্ত নামক আপনার আদরের ভাইয়েরা যদি প্রতিমা ভাংচুর না-ই-বা করবে! তাহলে নিরাপত্তার প্রশ্ন আসছে কেন ???

মূল সংবাদঃ

উদ্দেশ্যমূলক প্রতিমা ভাঙচুর করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উদ্দেশ্যমূলকভাবে কেউ পূজামণ্ডপ ও প্রতিমা ভাঙচুর করলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেছেন, আজকের সভায় সাম্প্রতিক সময়ে পূজামণ্ডপ ও প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়টি নিয়ে চুলছেঁড়া বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সব ঘটনা উদ্দেশ্য প্রণোদিত না। কিছু ঘটনা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণেও ঘটেছে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সভা শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বছর ৩১ হাজার ১০০ পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তায় সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে তিন লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। পূজামণ্ডপ ও প্রতিমা ভাঙচুর নিয়ে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব ঘটনার মধ্যে সবকিছু উদ্দেশ্যমূলক, তা নয়। এখানে নেতৃত্ব নিয়েও মতবিরোধ রয়েছে। যেগুলো উদ্দেশ্যমূলক, সেসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। যাতে এসব ঘটনা আর না ঘটে। কিছু কিছু ঘটনা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে।

উত্সঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন।

%d bloggers like this: