Blog

Adv. Kalidas Baral Murder and Minority Torture In Bangladesh | Shipan Kumar Basu

On the 18th death day of Kalidas Baral, have to listen to the death of another minority student.

Sabuj Biswas

Sabuj Biswas

A minority college student named Sabuj Biswas’s dead body was found after 6 days of missing in the untidy pool, in a condition of warping by the canopy and tied up his hand-foot, in Chitalmari Upazila of Bagerhat district.
On 13th August, Sabuj Biswas of Shippur Katakhali village of Chitalmari disappeared and on 16th August, someone demanded ransom 90 thousand takes to the family of Sabuj Biswas. Chiatlmari Awami League acting president Babul Kha’s brother Abdul Salam has a direct hand behind the murder. And Sheikh Hasina’s cousin Sheikh Helal is the controller of Abdul Salaam.

President of World Hindu struggle committee

Shipan Kumar Basu

On 20th August morning of 2000, a group of terrorists shot Kalidas Baral and killed him at the sadhana’s turn of Bagerhat city. After the tragic killing of the country and abroad, the extreme adverse reaction was created in the minority community. In that year, the protest puja (the incident of worship) was held with the display of a black flag by boycotting formalities in the universal Durga Puja temple in protest of this incident. The black flag is displayed in these worship temples for more than six months. In the protests, more than 10 lakh people of the minority communities of almost every area of the country.
Then Sheikh Hasina was in power in the state. Immediately after the killing of Kalidas Baral, there was a storm of massive protests and criticism throughout Bangladesh. The countrymen must know that the areas of Bagherhat and adjoining areas were Hindu Undisturbed Area, around 70% of the people in this area were Hindus. Besides, Kalidas Baral was a popular leader of the area. Where 70% of people live in Hindu, Buddhist, and Christian communities, Sheikh Helal may never be an MP. That is why the people of Sheikh’s family murdered popular leader Kalidas Baral by plotting to be honest, brave, meritorious and youthful. Sheikh Hasina’s cousin Sheikh Helal was behind this assassination. They did not stop the popular leader Kalidas Baral just by killing them. By this way, Sheikh Helal established them as Politician.

Adv.Kalidas Baral

Adv.Kalidas Baral

It is to be noted that, in the last upazila elections Kalidas Baral’s elder brother Ashok Baral was elected as the upazila chairman. But after two hours of announcement verdict and victory procession, Sheikh Helal changed the verdict and announced another as an Upazila chairman of his pre-planned. My question to the international community, how are the Upazila chairmen, upazila vice-chairman and upazila woman vice-chairman of the 70% minority communities only from the Muslim community? Are the minority people so stupid, that they do not understand anything!
They know very well that this is Sheikh Hasina’s own constituency, Sheikh Hasina first selects here herself from this place, which will later gift to her brother Sheikh Helal by the by-election. To getting shelter and support of Sheikh Helena, Sheikh Helal has established the rule of terror in this area. Moreover, people from other areas can not carry out terrorist activities in Sheikh Hasina’s area.
Moreover, the attack on the Baral family and the threat still continues. It is to be noted that, on his 17th December 2017, on his daughter, Aditi Baral was attacked for the assassination. No one can attack the Baral family without the direct assistance of local MP Sheikh Helal. One attack after another was carried out to erase the Baral family.
But I am Shipon Kumar Basu think that, through the killing of popular leader Kalidas Baral, the Sheikh family wanted to send this message to the Hindus all over the country that, you do not have any place in this country, you go to India. When Hindus leave India, the property will slowly become theirs. The country’s ongoing ruthless Hindu repression proves this.
Sultana Kamal, the head of a non-governmental organization (ASC), in the Aine O Shalish Kendra, once said that, ” If Hindus stay in the country they will get vote, If Hindus go then they will get property”, Only For this reason, no government has done anything good for the Hindus

কালিদাস বড়াল হত্যা, সংখ্যালঘু নির্যাতন, বিতারণ ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।
কালিদাস বড়ালের ১৮তম মৃত্যু দিবসে আরও একজন সংখ্যালঘু ছাত্রের মৃত্যু সংবাদ।
বাগেরহাটের চিতলমারীতে, ছয় দিন যাবত নিখোঁজ সবুজ বিশ্বাসের হাত-পা বাঁধা ও কাঁথায় মোড়ানো লাশ ডোবা থেকে উদ্ধার। গত ১৩ই আগস্ট নিখোঁজ হন চিতলমারী শিবপুর কাটাখালি গ্রামের সবুজ। ১৬ই আগস্ট মোবাইল ফোনে সবুজের পরিবারের কাছে ৯০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এই হত্যাকান্ডেরে পিছনে সরাসরি হাত রয়েছে চিতলমারী আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাবুল খার ভাই আব্দুল সালামের। আর আব্দুল সালামের নিয়ন্ত্রনকারী হচ্ছেন শেখ হাসিনার কাকাতো ভাই শেখ হেলাল।
২০০০ সালের ২০শে আগস্ট সকালে বাগেরহাট শহরের সাধনার মোড়ে একদল সন্ত্রাসী তাকে গুলি করে হত্যা করে। দেশ-বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মাঝে চরম বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। সে বছর এ ঘটনার প্রতিবাদে সারাদেশের সার্বজনীন দুর্গা পূজা মন্দিরে আনুষ্ঠানিকতা বর্জন করে কালো পতাকা প্রদর্শন সহ প্রতীকি পূজা (ঘটে পূজা) অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৬ মাসেরও অধিক কাল এসব পূজা মন্দিরে কালো পতাকা প্রদর্শিত হয়। প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে দেশের প্রায় সব এলাকার সনাতন সম্প্রদায়ের ১০ লক্ষাধিক মানুষ।
তখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন শেখ হাসিনা। কালিদাস বড়াল’কে হত্যার পরপরই সারা বাংলাদেশে ব্যাপক আন্দোলন ও সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করে। দেশবাসী নিশ্চয়ই জানেন যে, বগরেহাট ও আশে পাশের অঞ্চল গুলো ছিল হিন্দু অধ্যুসিত এলাকা, অত্র এলাকায় প্রায় ৭০% লোক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। তাছাড়া কালিদাস বড়াল ছিলেন অত্র এলাকারই জনপ্রিয় নেতা। যেখানে ৭০% লোক হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রীষ্টান সম্প্রদায়ের লোক বাস করে সেখানে শেখ হেলালের মতো ব্যক্তি কখনোই এমপি হতে পারে না। এজন্যই শেখ পরিবারের লোকজন চক্রান্ত করে সৎ, সাহসী, মেধাবী ও তারুণ্যের প্রতিক জনপ্রিয় নেতা কালিদাস বড়ালকে হত্যা করে। এই হত্যার পিছনে শেখ হাসিনার আপন কাকাতো ভাই শেখ হেলালের সরাসরি সম্পৃক্ততা ছিল। তারা জনপ্রিয় নেতা কালিদাস বড়ালকে শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি, হত্যাকারীদের রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্টিতও করেছেন।
উল্লেখ্য যে, গত উপজেলা নির্বাচনে কালিদাস বড়ালের আপন বড় ভাই অশোক বড়াল উপজেলা চেয়ারম্যান হিসবে নির্বাচিত হয়। কিন্তু নির্বাচনের রায় ঘোষনা ও বিজয় মিছিলের ২ ঘন্টা পর শেখ হেলাল সেই রায় বদল করে অন্য আরেকজনকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে ঘোষনা দেয়। আন্তর্জাতিক কমিউনিটির কাছে আমার প্রশ্ন, ৭০% সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এলাকায় কিভাবে উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শুধুমাত্র মুসলিম সম্প্রদায় থেকেই হয় ? সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন কি এতটাই বোকা, যে তারা কিছুই বুঝে না !
ওরা ভাল করেই জানে, এটা হচ্ছে শেখ হাসিনার নিজের নির্বাচনী এলাকা, শেখ হাসিনা প্রথমে এখান খেকে নিজে নির্বাচন করে যা পরবর্তীতে উপনির্বাচনের মাধ্যমে আসন টি তার আপন কাকাতো ভাই শেখ হেলাল’কে উপহার দিয়ে দেন। শেখ হাসিনার আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে শেখ হেলাল নিজেই এই এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে যাচ্ছে। তাছাড়া শেখ হাসিনার এলাকায় অন্য এলাকার লোক কখনোই সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে পারেনা।
তাছাড়া, বড়াল পরিবারের উপর হামলা, হুমকি এখনও অব্যাহত আছে। উল্লেখ্য যে, তার মেয়ে অদিতি বড়ালের উপরে ১৭ই ডিসেম্বর ২০১৭ ই তারিখে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়। স্থানীয় সাংসদ শেখ হেলালের প্রত্যক্ষ মদদ ছাড়া বড়াল পরিবারের উপরে কেউ হামলা করতে পারেনা। বড়াল পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য একটার পর একটা হামলা চালানো হচ্ছে ।
কিন্তু আমি শিপন কুমার বসু মনেকরি, জনপ্রিয নেতা কালিদাস বড়ালকে হত্যার মধ্য দিয়ে শেখ পরিবার সারা দেশের হিন্দুদের কাছে এই বার্তা প্রেরণ করতে চেয়েছে যে, শোন হিন্দুরা এই দেশে তোমাদের আর জায়গা নেই, তোমরা ইন্ডিয়ায় চলে যাও। হিন্দুরা ইন্ডিয়া চলে গেলে সম্পত্তি গুলো আস্তে আস্তে তাদের হয়ে যাবে। দেশব্যাপী চলমান নির্মম হিন্দু নির্যাতন এটাই প্রমান করে।
আইন ও শালিশ কেন্দ্রে নামক একটি বেসরকারি সংস্থার প্রধান (আসক) সুলতানা কামাল একদা বলেছিলেন যে, হিন্দু থাকলে “ভোট পাবে আর হিন্দুরা চলে গেলে সম্পত্তি পাবে”, সেজন্যই কোন সরকার হিন্দুদের জন্য কখনোই ভাল কিছু করেনি ।

%d bloggers like this: