News Room

Hindu human rights activist burned to death in prison toilette.

Rachel Avraham- Palash Chandra Roy, a Hindu rights activist and leader, went to the bathroom, had petrol thrown on him and was set on fire. He later on died of his injuries. According to the World Hindu Struggle Committee, Hindu human rights activist and leader Palash Chandra Roy was murdered while being imprisoned in Panchagargh. His family claims that the murder was premeditated. Roy was the son of Mira Rani, a former freedom fighter and a female vice chairman of the upzilla. In the past, Roy was a legal officer in the Kohinoor Chemical Company. When his superiors started to demand that he perform immoral tasks, he refused to do so as an outspoken opponent of corruption. As a consequence, he faced a gigantic lawsuit in Bangladesh in 2016 and was subsequently arrested. After he was released on bail, there was talk about him being imprisoned again. Due to this, he went on hunger strike in order to demand his rights. At one point, his hunger strike turned into a massive protest rally on the Sher-E-Bangla Highway, where he raised awareness about the corruption going on daily in the Kohinoor Chemical Company. The protests attracted the attention of the Bangladeshi government. Following this, Rajib Rana, an APS of Sheikh Hasina, filed a case at the Sadar Police Station, claiming that Roy spoke against the Prime Minister and the Bangladeshi government during the protests. After that, Roy was re-arrested and his bail was rejected this time around. According to the report, the statement by Roy that the Bangladeshi government felt deemed him worthy of imprisonment was as follows: “As a response to brutal torture, we will commit suicide as the children of freedom fighters in front of the DC office of the district. What does today’s Prime Minister have to say about democracy? If you were in front of me today, I want an apology! You killed the democracy by pressing my throat. I am not BNP and I am not Jamaat. Why did you file a case against me? I want a reply from Prime Minister Sheikh Hasina.” Roy was supposed to appear in Dhaka in order to defend his case but instead he found himself unable to do so. While in prison, he went to the bathroom and was sprayed with petrol by two strangers. He was set on fire. While the prison guards managed to rescue him alive, he later on died of his injuries while being treated inside of a local hospital. All efforts to save his life failed. In response to these developments, the Bimaloghu Roy Foundation, a local Bangladeshi human rights group, declared, “We seek the urgent attention of the international community regarding the grave situation in Bangladesh. We seek to raise awareness about Palash Chandra Roy, who was an honest, upright and popular leader of the National Hindu Coalition in Bangladesh. He has been exposing how religious minorities have been persecuted in the country. It has come to our attention that Roy has been arrested due to the false allegation of making some remarks against the present prime minister and was brutally murdered by being set on fire in the bathroom.” “Incidents of rape and murder, the defilement of Hindu gods and the looting of property belonging to religious minorities has been rising within […]

সুবীর নন্দীর মৃত্যুতে, বাঙালি মুসলমানদের উল্লাসের কারণ কি ? সাহাবউদ্দিন মাহমুদ ।

সুবীর নন্দীর মৃত্যুতে, বাঙালি মুসলমানদের উল্লাসের কারণ কি ?শুধু সুবীর নন্দী নয়, আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতেও বাঙালি মুসলমানরা একইভাবে আনন্দ উল্লাস প্রকাশ করেছিল। কিন্তু কেন একজন সঙ্গীতশিল্পী মারা গেলে তাতে মুসলমানদের আনন্দ পাওয়ার কি আছে? ইসলামে গান বাজনা হারাম সেটাই কি প্রধান কারণ?যদি তাই হয় তাহলে সুবীর নন্দীর মত শিল্পীকে কারা সৃষ্টি করেছে? কোটি কোটি মানুষ তার গানকে হৃদয়ে ধারণ করেছে, তারা কি সবাই অমুসলিম? নাকি মুসলিম? অবশ্যই তার বড় একটা অংশ মুসলমান, তারপরেও কেন এত বিদ্বেষ, তার পরেও কেন তার মৃত্যুতে মুসলিমদের উল্লাস? সব মুসলমান কি উল্লাস করতেছে? নাকি হাতে গোনা কয়েকজন অনলাইন এক্টিভিস্ট এই উল্লাসে অংশ নিয়েছে? ভিন্নধর্মাবলম্বী মানুষের মৃত্যুতে আনন্দ প্রকাশ, ভিন্নধর্মাবলম্বী মানুষের উপর আক্রমণ, ভিন্নধর্মী মানুষের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ, এগুলো একদিনে তৈরি হয়নি। শুধুমাত্র সংগীত শিল্পীরা আক্রমণের শিকার হচ্ছে, বিষয়টা ঠিক সেটাও না। বাঙালি মুসলিমদের আক্রমণের শিকার সবাই। কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার, অভিনেতা, বুদ্ধিজীবী, সমাজকর্মী, নাস্তিক এবং ভিন্নধর্মাবলম্বী বর্তমান সময়ে এরা সবাই মুসলিমদের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। জোর করে মানুষের উপর ধর্ম চাপিয়ে দেওয়া, ধর্ম অস্বীকার করলে তার ওপর আক্রমণ করা, এগুলো এখন খুবই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু বাঙালি মুসলমানদের এই বিশাল পরিবর্তনের পিছনে আসল কারণ কি? কখনো কি আপনারা এটার গভীরে যাওয়ার চিন্তা করেছেন? যারা আনন্দ করতেছে তারা কারা? তারা কি মাদ্রাসার ছাত্র? তারা কি সবাই মডারেট মুসলিম? তারা কি সবাই মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মুসলিম? তারা কি নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত? নাকি তাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় তারা মুসলিম? অবশ্যই তাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় তারা মুসলমান, তারা হতে পারে প্রবাসী, হতে পারে মাদ্রাসা ছাত্র, হতে পারে স্কুল পড়ুয়া মডারেট ধার্মিক, হতে পারে কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত? কিন্তু তাদের এই বিদ্বেষ এই ঘৃণা কারা শিখাচ্ছে? তাদের এই উগ্রতার পিছনে কারা ইন্দন দিচ্ছে? স্কুলের শিক্ষকরা, মাদ্রাসার হুজুররা, নাকি রাজনীতিবিদরা? কারা এই উগ্রতার পিছনে দায়ী? খুব খেয়াল করবেন, বিজ্ঞানের বদৌলতে প্রযুক্তি এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। সবার হাতেই মোবাইল। আর তার মধ্যে আছে ফেসবুক, ইউটিউব। বাঙালি মুসলমানরা ফেইসবুক, ইউটিউবে সাধারণত কি দেখে? বিশেষ করে ইউটিউবে আসাযাক। নাটক, মুভি, বিভিন্ন ধরনের সংগীত, ইসলামী সংগীত এবং ওয়াজ মাহফিল। ইউটিউব এ বাঙালিরা এগুলোই বেশি দেখে? তাহলে তাদের উগ্র মনোভাবের পিছনে কি নাটক, মুভি অথবা বিভিন্ন ধরনের সংগীত দায়ী? নাকি বিভিন্ন হুজুরের ওয়াজ মাহফিল? এবার ফেসবুকে আসা যাক। বিভিন্ন ছবিতে লাইক কমেন্ট শেয়ার করা, বিভিন্ন স্ট্যাটাস পড়া, ভিডিও দেখা, নিজের ছবি ফেসবুকে শেয়ার করা, এবং বিভিন্ন গ্রুপে একটিভ থাকা, সচরাচর বাঙালি মুসলমানরাই এগুলাই করে থাকে। তাহলে ফেসবুকে এমন কি আছে যেটা তাদের উগ্রতার কারণ হতে পারে?নিজের ছবি শেয়ার করা অন্যের ছবিতে লাইক কমেন্ট করা বিভিন্ন ধরনের স্ট্যাটাস পড়া, সেগুলো নাকি বিভিন্ন ধরনের ভিডিও দেখা? এবার আসা যাক বাঙালি মুসলমানরা কি ধরনের ভিডিও দেখে, ফেসবুকে সচরাচর সব ধরনের ভিডিও টাইমলাইনে চলে আসে, কিন্তু বর্তমানে ওয়াজ মাহফিলের ভিডিও গুলো একটু বেশি দেখা যায়। তাহলে ধরা যাক, বাঙালি মুসলমানরা ইউটিউব এবং ফেসবুকে, বিভিন্ন ধরনের ওয়াজ মাহফিলের ভিডিও গুলো বেশি দেখে, এবং শেয়ার করে। তাহলে কি উগ্রতা ছড়ানোর পিছনে এই ধরনের ওয়াজ মাহফিল গুলাই দায়ী? বর্তমানে ইউটিউব একটা লাভজনক ব্যবসা। বিভিন্ন ধরনের ভিডিও ইউটিউব এবং ফেসবুকে শেয়ার করে খুব ভালোভাবে টাকা ইনকাম করা যায়। হাজার হাজার ইউটিউবার, নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থে, মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগিয়ে, এই ধরনের ভিডিওগুলো সব জায়গায় ছড়িয়ে দিচ্ছে। আর তাদের পরিচিতি পাওয়ার জন্য একই কাজ তারা ফেসবুকেও করে যাচ্ছে। তাহলে বাঙালি মুসলমানদের উগ্রতার পিছনে কি ওয়াজ মাহফিল গুলো দায়ী? কিন্তু ওয়াজ মাহফিলে কি এমন আলোচনা করা হয় যেটার কারনে বাঙালি মুসলমানের মানসিকতা পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে, দিন দিন তারা উগ্র হয়ে যাচ্ছে, ওয়াজে কি এমন বলা হয় যে তারা মুসলমান ব্যতীত অন্য কোন ধর্মালম্বীদের কি সহ্য করতে […]

সহকর্মীদের বিরুদ্ধে বানোয়াট প্রচারণায় নিন্দা ও প্রতিবাদ, শিপন কুমার বসু।

বরাবরঃ সম্পাদক বিষয়ঃ দৈনিক ইত্তেফাক সহ ঢাকার করেকটি পত্রিকায় তথাকথিত গোয়েন্দ সুত্রের বরাতে বাংলাদেশের সরকার উতখাতের ষড়যন্ত্র নামে আমার ও আমার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে বানোয়াট প্রচারণায় নিন্দা ও প্রতিবাদ। কয়েক দিন ধরে দৈনিক ইত্তেফাক সহ ঢাকার করেকটি পত্রিকায় আমার ও আমার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে তথাকথিত গোয়েন্দা সুত্রের বরাতে বাংলাদেশের সরকার উতখাতের ষড়যন্ত্রের নামে মিথ্যা বানোয়াট ঘৃণ্য প্রচারণা চালাচ্ছে। আমি দৃঢ়ভাবে এর প্রতিবাদ করছি ও নিন্দা জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট পত্রিকাসমূহের রিপোর্টে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশের প্রভাবশালী এক গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা আমাকে বিদেশী এক গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট বলে উল্লেখ করেছে। যে গোয়েন্দা কর্মকর্তা এরূপ একটা ভিত্তিহীন বানোয়াট কথা বলেছে সে গোয়েন্দা কর্মকর্তা হওয়ার যোগ্যতাই রাখেনা। আমার ও আমার সহকর্মীদের সকল কর্মততপরতা প্রকাশ্য। আমরা যা কিছু করছি তা প্রতিনিয়ত ফেসবুকে আপলোড করা হচ্ছে। আমি কোন বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে একটা ফুটো কড়িও নেই না। আমাদের কর্মততপরতার খরচ আমাদের বাংগালী কর্মী ও শুভাকাংখীরা বহন করছেন। আমি যদি সত্যিই কারো এজেন্ট হয়ে থাকি সে আমার প্রিয় বাংলাদেশ এবং আমার প্রিয় হিন্দু সম্প্রদায়ের এজেন্ট। আমি ও আমার সহকর্মীরা বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব ও নিরাপত্তার জন্য বৃটেন, আমেরিকা, ইউরোপ, ইসরাইল, ভারত সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সকল গুরুত্বপূর্ণ কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছি। ইসরাইলের রাজনৈতিক নেতা ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মিঃ মেন্দি সাফাদী দীর্ঘদিন যাবত আমার ফেসবুক বন্ধু। আমি আমাদের সমস্যার ব্যাপারে তাকেও অবগত করি এবং আন্তর্জাতিকভাবে উত্থাপনের জন্য তারও সহযোগীতা চাইলে তিনি ইতিবাচকভা সাড়া দেন এবং যেহেতু ইসরাইলের সাথে বাংলাদেশের কুটনৈতিক সম্পর্ক নাই সেহেতু তিনি ভারত সফরে এলে আমরা তাঁর সাথে সাক্ষাত করি। সেই প্রথম মিটিং থেকে পরবর্তি সকল মিটিং-এর ছবি ও বিষয় আমার সাথে সাথেই ফেসবুকে আপলোড করি। এর মধ্যে গোপন ষড়যন্ত্রের কিছুই নাই – সবই প্রকাশ্য। এমনকি মিঃ সাফাদীও তার অভিমত তাঁর নিজের মত করেই ইসরাইলের জেরুজালেম অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশ করেন। ইসরাইল বাংলাদেশে জন্মের পূর্ব থেকেই জাতিসংঘের সদস্য। বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের যদি ইসরাইলের প্রতি এতই ঘৃণা তাহলে জাতিসংঘের সদস্য পদ ত্যাগ করলেইতো পারে। ১৯৭১ সনে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত সরকার ইসরাইলের সমর্থন নিয়েই মুক্তিযুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীণ করেছিল। সুতরাং ইসরাইলের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা ও পত্রিকার বিদ্বেষ ও ঘৃণা থুতু উপরে নিক্ষেপ করার মত বাচালতা। বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকার কৃত্রিম উপায়ে ক্ষমতায় থাকার জন্য দেশকে একটা পুলিশ স্টেটে পরিণত করেছে যার ফলে দেশের সংখ্যা গুরু মুসলমান সম্প্রদায় ভারত ও হিন্দু সম্প্রদায়কে ভুল বুঝছে। আমি ও আমার সহকর্মীরা বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের নির্যাতন ও সম্পত্তি দখল থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব ও অধিকার রক্ষার জন্য কাজ করছি। আমরা চাইনা যে কেউ বাংলাদেশের হিন্দুদেরকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যাবহার করুক বা মুসলমানদেরকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ব্যাবহার করুক। এ দেশের অধিবাসী হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খৃষ্টান সকলের মাতৃভূমি বাংলাদেশ। পারস্পারিক ভালবাসা ও সম্প্রীতি আমাদের শক্তি। ১৯৭১ সনে পাকিস্তানী সৈন্যদের অত্যাচারে যখন হিন্দুরা মাতৃভূমি ছেড়ে প্রতিবেশী দেশে আশ্রয়ের আশায় যাচ্ছিল তখন পথে পথে মুসলমানরাই হিন্দুদেরকে খাদ্য পানীয় দিয়েছিল। অথচ দেশ স্বাধীণ হওয়ার পরে আওয়ামী লীগের গ্রামের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রের মন্ত্রী পর্যন্ত অনেকেই হিন্দুদের সম্পত্তি দখলে নেয়ার নানা পায়তারা শুরু করে যা তারা ২০১০ এ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত তারা নির্বিচার নির্লজ্জের মত চালিয়ে যাচ্ছে। ডঃ আবুল বারাকাত তার গবেষণায় যে তথ্য প্রকাশ করেছেন তাতে দেখা যায় প্রধাণতঃ আওয়ামী লীগ নেতারাই বাংলাদেশের হিন্দু সম্পত্তির সবচে বড় দখলদার। আওয়ামী লীগ তার দুঃশাসনের জন্য কিছু কিছু হিন্দু অফিসারকে ওসি-ডিসি হিসাবে ব্যাবহার করার ফলে হিন্দুদের কোন উপকার তো হচ্ছেই না বরং সংখ্যাগুরু মুসলমান সম্প্রদায় আওয়ামী দুঃশাসনের জন্য ভারত ও হিন্দু সম্প্রদায়কে দায়ি মনে করছে – যা বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের ভবিষ্যতের জন্য খুবই বিপদজনক। আমরা বাংলাদেশে বর্তমানের পুলিশী রাষ্ট্রের অবসান চাই, হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খৃষ্টান সম্প্রিতি ও ঐক্য চাই। যথাশীঘ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের […]

আজ পৃথিবীর পরাশক্তি ইসরায়েলের ৭১ তম স্বাধীণতা দিবস, শিপন কুমার বসু।

আজ পৃথিবীর পরাশক্তি ইসরায়েলের ৭১ তম স্বাধীণতা দিবস। যারা ইসরায়েল জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করতে মূল্যবান জীবন উত্স্বর্গ করে গেছেন, আজকের এই মহান স্বধীনতা দিবসে আমি তাদের শ্রদ্ধার সহিত স্মরণ করছি এবং তাদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। এবং ইসরায়েল জাতির আরও বেশি সমৃদ্ধি কামনা করছি। আমার জানামতে ইহুদি ও ড্রুজরা কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৪৮ সালের এই দিনে “ইসরায়েল” নামক নিজেস্ব স্বধীন ভূখন্ড তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে এবং এর পিছনে রয়েছে বিশাল গৌরবময় ইতিহাস। উক্ত ইতিহাসের প্রতি রয়েছে আমার গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। আপনাদের ইতিহাস দেখে সতিই আমি খুব অনুপ্রাণিত আজ আমার হিন্দু ভাইয়েরাও বাংলাদেশে কঠিন ও মানবেতর জীবনযাপন করছে। বর্তমান বাংলাদেশের হিন্দুরা সেই উনিশ শতকের গোড়া থেকেই মৌলবাদীদের দ্বারা বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশ ছেড়েছে এবং এই ধারা এখনও বিদ্যমান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে হিন্দুরা ব্যপক আকারে মৌলবাদীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। ১৯৪৭ সাল ও এর পরবর্তী সময় ১৯৭০ সাল পর্যন্ত মৌলবাদী শক্তি ও পশ্চিম পাকিস্তনের (বর্তমান পাকিস্তান) প্রশাসন কর্তৃক চরমভাবে নির্যাতনের শিকার হয়ে মিলিয়ন মিলিয়ন হিন্দু তাদের বাড়িঘর ফেলে রেখে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। তারপর ১৯৭১ সালের পূর্ব পাকিস্তন (বর্তমানে বাংলাদেশ) ও পশ্চিম পাকিস্তনের (বর্তমান পাকিস্তান) মধ্যে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়েও মৌলবাদী শক্তি, পশ্চিম পাকিস্তনের সহযোগী ও পশ্চিম পাকিস্তনের সেনাবাহিনীর বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়ে মিলিয়ন মিলিয়ন হিন্দু তাদের বাড়িঘর ফেলে রেখে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। তখন ১০ মিলিয়নেরও বেশি হিন্দু ভারতের মাটিতে শরণার্থী হয়ে আশ্রয় নিয়েছিল এবং ১০ মিলিয়নেরও বেশি হিন্দুকে যুদ্ধের প্রথম রাতেই ২৫ শে মার্চ ১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তনের আর্মিরা খুন করেছিল। যুদ্ধের ৯ মাসে কত হিন্দুকে তারা ও তাদরে সহযোগীরা খুন করেছিল এর কোন সঠিক পরিসংখ্যন আজও পাওয়া যায়নি। তারপর ১৯৭১ থেকে ২০১৯ এর এপ্রিল পর্যন্ত এই সময়ে বিএনপি-জামাতের খালেদা জিয়া সরকার, জাতীয় পার্টির এরশাদ সরকার ও আওয়ামী লীগের হাসিনা সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতিদিন বাড়িঘর ফেলে হিন্দুরা ভারতে পাড়ি জমিয়েছে। নিখিল ভারত বাঙ্গালী উদ্বাস্তু সমন্বয় সমিতির সভাপতি ডাঃ সুবোধ বিশ্বাস জানিয়েছেন এই পর্যন্ত ৫০ মিলিয়নেরও বেশি বাঙ্গালী হিন্দু ভারতের মাটিতে শরণার্থী হিসাবে বাস করছে। এবং এরা ভারতের ১৮ টি স্টেটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। শুধুমা্ত্র আসাম রাজ্যেই আছে ৮ মিলিয়ন হিন্দু শরনার্থী। দেশ স্বাধীন হলেও হিন্দুরা প্রকৃত স্বাধিনতার স্বাদ আজও পায়নি। স্বাধীনতার আগে ও পরে হিন্দু নির্যাতন একই রয়েছে। বরং হাসিনা সরকারের আমলে হিন্দু নির্যাতন বেড়ে গিয়েছ কয়েক গুণ। প্রতিদিনই হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা সংগঠিত হচ্ছে। যেমনঃ ধর্ষণ, গণধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা, অপহরণ, মেয়েদের জোর করে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে, প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করন, জমি দখল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল, মাছের ঘের দখল, শশ্মান দখল, নিজেদের মধ্যে শশ্মান লিজ দেওয়া, বাড়িতে হামলা করে মূল্যবান জিনিসপত্র ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়া সহ সব ধরনের অমানবিক কর্মকান্ড হিন্দুদের সাথে প্রতিদিনই হচ্ছে। বিচার বা প্রতিকার কিছুই হচ্ছে না। সরকারও হিন্দু নির্যাতন নিয়ে কোন বাক্য ব্যয় করছে না। বরং বিভিন্ন মৌলবাদী সংগঠনকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিচ্ছে সরকার। যেমনঃ সরকারের সহযোগী ইসলামী সংগঠন ওলামালীগ, হেফাজতে ইসলাম ও জামাতে ইসলাম। এই সংগঠন গুলো প্রতিনিয়তই হিন্দু বিরোধী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলের সহযোগিতায় আমরাও খুব শীঘ্রই স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ লাভ করতে পারব বলে আশা করি। ইহুদি ও ড্রুজ ভাইদের সহায়তায় আমরা সকল অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারব। তাছাড়া ইহুদি, ড্রুজ ও হিন্দুদের সমন্বয় শক্তি দিয়ে সারা বিশ্বে শান্তি স্থাপন করতে সক্ষম হইব। পরিশেষে, ইসরায়েলের সকল নাগরিকদের মহান স্বাধীনতার শুভেচ্ছা জানিয়ে এখানেই ইতি টানছি। শিপন কুমার বসু সভাপতি (আন্তর্জাতিক) ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটি

Today is the 71st Independence Day of Israel

Today is the 71st Independence Day of Israel. On this great freedom day, I remember with respect to those who have sacrificed precious lives to establish the nation of Israel and wish them peace for their departed souls. And wishing more prosperity for the nation of Israel. Through my struggle, the Jews and the Druzes have been able to create independent lands on this day of 1948, “Israel”, through a difficult struggle, and behind this there is a great glorious history. I have deep respect and love for that history. I am very inspired to see your history today, my Hindu brothers and sisters are living hard and humble in Bangladesh. The Hindus of present day Bangladesh have been subjected to torture by the fundamentalists in different ways since the beginning of the nineteenth century, and this trend still exists. During World War II, Hindus were massively attacked by fundamentalists. In the year 1947 and next time until the 1970s, millions of Hindus took shelter in India leaving their homes due to extreme torture by fundamentalist forces and administration of West Pakistan (now Pakistan). Then during the liberation war between East Pakistan (now Bangladesh) and West Pakistan (now Pakistan) in 1971, millions of Hindus took shelter in India after leaving their homes due to the fundamentalist forces, the collaborators of West Pakistan and the brutal torture of the West Pakistan army. More than 10 million Hindus took Shelter as refugee in the refugee camp in India and more than 10 million Hindus were killed by the West Pakistan army personnel on 25 March 1971 on the first night of war. There are no exact statistics of how many Hindus killed by the Pakistani army and their associates in 9 months of war. Then, from 1971 to April 2019, at that time, the Hindus left for India in the Khaleda Zia government of BNP-Jamaat, Jatiya Party’s Ershad government and the Awami League during the tenure of the Hasina government. Dr. Subodh Biswas, President of Nikhil Bharat Bengali Udvastu (Refugee) Samanye Samiti “NiBBUSS” said so far, more than 50 million Bengali Hindus live as refugees in India’s soil. And they are scattered in 18 states of India. There are 8 million Hindu refugees in the state of Assam alone. Although the country is independent, Hindus have not even got the taste of true freedom today. Hindu torture is the same before and after independence. In fact, during the Hasina government, the oppression of Hindus has increased several times. Everyday incidents of violence against Hindus are being organized. For example, rape, gang rape, killed after rape, abduction, marriage by converting forced the girls, converting by showing different temptation, conquering lands, grab business, grab fisheries project, grabbing cremation ground, leasing cremation ground, looting valuable items and cash money by attacks in the house, such this inhuman activities are being done every day with the Hindus. Justice or remedy is nothing. The government is not spending any word on Hindu torture. Rather the government is bringing against the fundamentalist organizations against the Hindus. For example, the government-sponsored Islamic organizations, Olama League, Hefazat-e-Islam and Jamat-e-Islam. These organizations are constantly running anti-Hindu campaigns. We hope that we can achieve the real taste of independence soon with the help of Israel. With the help of the Jews and […]

Attack on minority families in Rupganj, wounded 4.

Minority families have been attacked due to pre-antagonism, in the Rupganj upazila of Narayanganj district. 4 people of the same family were injured and one woman were molested. The incident happened in the Sadar Upazila Rupganj at morning of Saturday (May 04). The complainant, Shri Popel Chandra Das, said that due to pre-antagonism, Tofazzal, Jewel, Sujon, Hasibur, Alam, Mintu and Mamun including unidentified 20 to 25 miscreants were attacked on their family with the domestic weapon and vandalized their house. At this time, due to protest, they attacks on Tapan Chandra Das, elder brother of Popel Chandra Das. Menwhile, came ahead Popel Chandra Das, younger brother Sajeeb Das and his wife Juei Rani Das after heard screaming of Tapan Chandra Das, then they also attacked on them and made injured in the incident of attack. at one stage, they molested Juei Rani Das, w/o Popel Chandra Das. Later, the attackers looted their jewelry shop beside the house and looted cash money Tk.1,20,000/ and 81.48 grams gold, which market price more than TK. 3,15,000/. Mahmudul Hasan, Officer-in-Charge (OC) of Rupganj police station said, “Such complaints have been received and action will be taken according to the investigation.” 6th may, 2019. Published on local online newspaper named Narayanjnews

Advocate Palash Chandra Roy (Hindu leader) was burnt to death in prison.

The minority leader Advocate Palash Chandra Roy has been killed in a planned manner in the jail, in the northern district of Panchagarh, claimed the family of the deceased. Advocate Palash Chandra Roy was a son of Mira Rani, a former freedom fighter commander and former female vice-chairman of the upazila. It is known that Advocate Palash Chandra Roy was a law officer in the Kohinoor Chemical Company. Palash Chandra Roy did not accept the offer of immoral work offered by officers of the company during the service, only for this reason, then the company filed a lawsuit against him for Tk 31 lakh embezzlement in 2016. At one stage, he was arrested by the RAB and after the bail from the court, he started a hunger strike in front of the Panchagarh Deputy Commissioner Office on behalf of the family members on March 25, due to the mental reversal. At one stage, the hunger strike broke out in the city’s Sher-E-Bangla Highway on human chain protests. He talked about the corruption of the company officials in the human chain and attracted the attention of the Prime Minister about the charges against him. Advocate Palash Chandra Roy again involved in a case due to hold a human chain for removing allegation against him. Now a young man named Rajib Rana, filed a case with Sadar Police Station, according to his claim that he identified the organizational editor of Bangabandhu Smriti Sangsad and Bangabandhu Library’s Metropolitan Northern University Federation. Rajib Rana’s accusation against Advocate Palash Chandra Roy, he presented the indecent remarks against the Prime Minister and the administration in the human chain. Rajiv Rana filed a defamation suit against Advocate Palash Chandra Roy in the Sadar Police Station. The Sadar station’s police arrested him on the same day and sent him to the court and the court rejected the bail and sent him to jail. On April 26, he was supposed to be sent to Dhaka for the company’s case, but suddenly he came out crying out of the toilet in the hospital. Before the death of Advocate Palash Chandra Roy, he said that as soon as he entered the toilet, two strangers sprinkled with two petrol bottles (tigers) on him. Then the prison guards rescued alive to Rangpur Medical College Hospital. He died on 30 April, after being taken to the burn unit of Dhaka Medical College Hospital for better treatment. This news published on 05th May-2019 int the eibela online news portal. And this news has been translated into English by Nihar Ranjan Biswas. That day, exactly what had said Hindu leader Advocate Palash Chandra Roy in his statement, it is exactly the following: In the case of the trap, as recompense of brutal torture, we will commit suicide by announcing to you in front of the DC house as the representative of the Prime Minister as the children of freedom fighters. What is today’s Prime Minister, what do you say about democracy ? If you were in front of me today, I wanted to know the apology. What do you say about democracy ? You killed the democracy by pressing throat. I do not do BNP or Jamaat. Why did your APS file a false case against me ? Want a reply to Prime Minister Sheikh Hasina. […]

The minority families are forced to leave the country due to torture of Mahabbat Ali of Ashashuni.

The son of late Niyamat Ali Sardar of Kadakati village of Kadakati union of Ashashuni upazila is forced to leave the country under the oppression of Mohabbat Ali Sardar known as the horrors of neighboring many minority families of the village. Neighbors Muslim families did not get relief from the torture of Mohabbat Ali and his sons. Neighbors have complained about burning their house at nominal prices, killing them, filling the enclosed fencing, brickbats in the house of the night, and harassing them in the false case. Talking to neighboring minorities and Muslim families on Saturday afternoon, a large number of ponds have been used for a long time with a third part of their families being able to use fish for their cultivation and their needs. On Thursday, Mohabbat Ali planned the oxygen-filled powder in water by lifting the net in the pond and then dragging it after trapping the fish first. When neighbors protested he show fearing the issue of fish poisoning, . After this incident, at around 1:00 am on Friday, the houses of neighboring Bishwanath Sana and Shahabuddin Sana were set on fire. Although the amount of damage to the fire is not high, they have written the land and forced them to go elsewhere. Alandi Mondal (85), wife of late Haripada Mondal, a neighbor of Mohabbat Ali, said that two sons of 4, Bharat Mandal and Babu Mandal have bound go to India and Monoranjan Mondal were forced to go to Batuwaranga village of Khorsa union of Tola upazila. She also said that she also took possession of the remain son’s land, who is still living in her husband’s house. He has been persecuting us constantly because of not writing rest land to them. Haripada Sana (80), son of late Abhilas Sana, said that none of her is living now alone. He lives in a room for less qualities than a goat house. Now live in a critical moment, just I live to sell bamboo from a bamboo garden adjacent my house. He further said that because of not giving the land, he used to frighten him and take away Bamboo from the garden. He continues threw brickbats on the home. Durgapada Mondal, the retired head teacher son of late Sukhdev Mondal, said that he had harassed a number of false cases including robbery and looted fisheries project due to not writing the land to Mohabbat. The wife of Dolan Chandra Mandal, Bina Pani told that, for the taking 10th decimal land forceibly bought property of them, he cut off their fency oh house. The fruits of the tree has taken to with the physical power. Vishwanath Sana’s wife Anjana Sana said that, he could not write the land after torturing several times in different ways and he set fire to our house on Friday night. Earlier, on the eve of the last Ed-ul-Azha, the cow’s blood and flesh spread in my courtyard at noon. When my daughter-in-law protested against this act, harassed him by giving false accusations to the police. Shahabuddin Sana, son of Alil Uddin Sana, told that at one stage of harassment, on Thursday, captured our pond and caught the fish by trapping and took away Mohabbat and his sons. He set fire to my house on the last Friday night. Sohrab […]

Jubo league leader victims of mass attacks during Hindu housewife kidnapped in Manikganj district.

(The Hindus will not recognize anyone when the backs are walled. If do not get justice, Hindus will take up the law in such a way, and if get the identity of any party, There is a possibility of more beating. Then there will be no scope for blaming the Hindus. Because, everything has a boundary. If there is a prosperous Bangladesh, now it is necessary to stop the Hindu repression and from now on it has to be effective). Jubo League leader Abdul Khalek has been subjected to mass attacks while hijacking a housewife of minority family in Saturia of Manikganj district. This incident happened at Satpura’s Bhandariapara on Saturday noon. At least seven people were injured in the clashes. The injured were admitted to Saturia Hospital and Savar Enam Medical College Hospital. In this incident, a minority family filed a case to the Saturia Police Station. According to local and woman’s family sources, Saturia Upazila Jubo League General Secretary Md Abdul Khalek and Jubo League activist Shahinur Islam of Bhandari para went to kidnapping Tumpa Rani, wife of Deepak Basak of the same area. At this time, there is a altercation between Jubo League leader Md Abdul Khalek and the husband of Tumpa Rani, Deepak Basak. At one stage in the clash between the two sides, Deepak’s family members kept Jubo League leader Abdul Khalek locked in the house. At that time his head burst into several places. After being seriously injured, he was shifted to Dhaka Medical College Hospital for treatment after completion of primary treatment at Saturia Hospital. Meanwhile, the supporters of Khalek attacked the Hindu family when the news of Jubo League leader was beaten up. The attackers beat Deep Basak, Deepak Basak, Dinesh Basak and Dulal Basak. Locals rescued them and admitted them to Saturia Hospital. Deepak Basak, husband of Tumpa Basak, said that his wife Tumpa Basak worked in a private school. Jubo League leader Abdul Khalek was quoting her on her way to school for two years. Occasionally, the matter was told to the Awami League leaders but it has no effect. In the oppression of the Jubo League leader, a few time my wife went to the commit suicide few days ago. He said, Saturday, Jubo League leader Khalek went to my house and told me that your wife got married me by divorcing you. At this time, when I want to see the evidence of marriage, he was able to pull down an undisclosed stamp and pull it down from the two stairs with the hand of my wife. Then have a altercation with Khalek. At one stage, he fell down when he jumped with Jubo League leader to protect his family. Khalek, Jubo League, was hit on the head. The victim Tumpa Basak complained that, Jubo League leader Abdul Khalek tried to molest me several times by blackmailing me. For a long time he was telling me on the street. More than once, Saturia Police Station has been informed about this. A general diary was filed in the police station against Jubo League leader, in before. Still do not stop We are Hindus, because we have no one to stop the torture and tried to commit suicide. She also said that she and her family want to live from […]

Pakistani Hindus: We were forced to convert to Islam.

Pakistani Hindus are taking a sigh of relief after migrating to India. Several of these Hindus are based in Rajasthan and are narrating their woes of forceful conversion to Islam that they faced in Pakistan. Several members of the refugee Hindu community who have been living in Rajasthan for more than half-a-decade spoke to the Asian News International (ANI) and requested Prime Minister Narendra Modi to help in providing water, electricity, housing and ID proof. They also requested PM Narendra Modi to grant them with Indian citizenship so that they can begin their normal lives. Moolchand and Bhagwanti, Pak Hindu migrants told ANI that in Pakistan, Muslim people used to force Hindus to convert to Islam. They told ANI that as Hindus they were scared to go out alone. They told ANI that they are happy in India but have no ID proof. We need water, electricity and Pucca house as their kutcha houses get damaged in rain and thunderstorm. To help refugee Pakistani, Afghanistani, and also Bangladeshi Hindus, Narendra Modi government devised the Citizenship Bill but due to elections and protests from opposition parties led by Congress, the Bill could not become functional. However, it is expected that if the BJP wins this election, then this bill will become a reality. April 27, 2019April 27, 2019/Currentiggers.com