Blog

Chittagong Has Set an Example and History of Deadly and Extreme Inhuman Torture on Hindus

Chittagong has set an example and history of deadly and extreme inhuman torture on Hindus. Not only Chittagong, now Hindu oppression is the day-time events of different districts of the country.
It is to be noted that, still have not been judged in the incident of the eleven member murder of the same family of the house of Tejendra Lal Shil of Shilpara village under the Bashkhali Upazila of Chittagong, by sat fire on November 18, 2003.

Chittagong HIndu Torture in 2018

God created the Hindus, but took away their good fortune. Although the Hindus are a peace-loving nation, nevertheless they are now migrant in their own country. Hindus are tortured, but no one comes forward to remedy, as if everyone is silent visitors, It seems that torture is enjoying with them !
There is no one in this world to see the miserys guts of the Hindus of Bangladesh. All the people of the world know, who is torturing on the Hindus of Bangladesh and who are help provider of the torturer on Hindus, but silent. It seems, to see the silence of everyone in the country and abroad, it has been a great mistake in the birth of Hindus in Bangladesh.
On one hand, illegal intruders Rohingyas have begun to spread the clan in Bangladesh. On the other hand, inhumane and horrendous torture in the medieval style on Hindus going on different places of the country to make Hindus zero in the country. But the government is completely silent. Through the newspaper, yesterday I saw that 60,000 children have been born in the Rohingya refugees camp of Cox’s Bazar in the last one year.
Original News – Brutaly torture on 7 fishermen by cut head hair to the false allegations of fish theft.

 

World Hindu struggle committee

 

In the Cox’s Bazar accused of false stealing fish in Pekua. In spite of not being able to do so, they have taken forcibly irreligious statements from the fishermen.
The tortured fishermen are – Ledu son of Jatindra Das of Jaliya Para area of Patiya Upazila of ​​Chittagong, Gopal Sardar son of Manat Sardar of the same area his son Liton Sardar, Jummur Sardar son of Dilip Sardar, Liton son of Babul Sardar, Arun Sardar son of late Vardhara and Dulal Boalkhali son of Hasi in Gour Nandi area of ​​the upazila.
The video of this incident happened on Friday evening in Badi Uddin Para area of ​​Rajakhali union of the upazila, and there was a storm of criticism in the area.
Local Awakening community has condmen and protest in incident of the furiously tortured these fishermen. But the news of torture and video was published, neverthless the local administration did not take any action. So forced to go back to their own homes after being tortured, these foxes are helpless.
Locals and eyewitnesses said that, Nurul Absar Prakash Badu Member of Miah Bari brought a wage-based group from Patiya in Chittagong for fishing in the pond of Pechu Miah’ house of Pekua. At the end of the fishing, the fishermen began walk on the way of Patiya with their accessories. But when they reached the Magnma border bridge area of ​​the union, a group of people detained them and took them to Badiuddinapara again on the order of Bodu member. Many people, including Atiq, Abdul Kader, Osman Gani in the same area, tortured to taking false allegation against them of stealing fish . During this time, they cut their head’s hair and go different places of the union with them. Afterwards the convicted fishermen were released by the police.
Confirming the incident, Officer-In-Charge (OC) of Pekua Police Station Jahirul Islam Khan said, police were sent to the scene. But no action was taken due to not receiving any complain from the victms.
Meanwhile, talking about the complaint, Nurul abacher’s Bodu member mobile phone was closed when contacted.
Saeed Alamgir / RA / JIM, Jagonews.com

চট্রগ্রাম হিন্দুদের উপর মারাত্মক ও চরম অমানবিক নির্যতনের দৃষ্টান্ত ও ইতিহাস স্থাপন করল।শুধু চট্টগ্রাম নয়, এখন হিন্দু নির্যাতন দেশের বিভিন্ন জেলার নিত্য দিনের ঘটনা।
সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টি করেছে হিন্দুদের, তবে তাদের সৌভগ্য কেড়ে নিয়েছে। হিন্দুরা শান্তি প্রিয় জাতি হয়েও আজ নিজ দেশে পরবাসী। হিন্দু নির্যাতন হয় কিন্তু কেউ প্রতিকারের জন্য এগিয়ে আসেনা, যেন সবাই নিরব দর্শক। মনে হয় নির্যাতন তাদের কাছে উপভোগের বিষয় !
বাংলাদেশের হিন্দুদের দূর্দশা দেখার মতো এই পৃথিবীতে কেউ নেই। বাংলাদেশের হিন্দুদের উপরে কে বা কারা নির্যাতন করছে এবং কে বা কারা হিন্দু নির্যাতনকারীদের মদদ যোগাচ্ছে বিশ্ববাসী সবাই অবগত, অথচ নিরব। দেশ ও বিদেশের সকলের নিরবতা দেখে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশে হিন্দুদের জন্ম নেওয়াটাই চরম ভুল হয়েছে।
একদিকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী রোহীঙ্গারা বাংলাদেশে বংশ বিস্তার শুরু করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশকে হিন্দু শূণ্য করতে, দেশের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের উপরে চলছে মধ্যযুগীয় কায়দায় অমানবিক ও ভয়ংকর নির্যাতন। অথচ সরকার সম্পূর্ণ নিরব। গতকাল পত্রিকা মারফত জানিতে পারিলাম য়ে, গত এক বছরে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরনার্থী ৬০,০০০ শিশুর জন্ম হয়েছে।
মুল সংবাদ – মাছ চুরির অভিযোগে ৭ জেলেকে ন্যাড়া করে নির্যাতন।
কক্সবাজারের পেকুয়ায় মাছ চুরির অভিযোগ ৭ জেলেকে আটকে রেখে মাথার চুল কেটে শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে একটি প্রভাবশালী মহল। এতেও ক্ষান্ত না হয়ে জেলেদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ধর্মবিরোধী বক্তব্যও আদায় করে তারা।
নির্যাতিত জেলেরা হলেন- চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার দলঘাট ইউনিয়নের জালিয়া পাড়া এলাকার জতিন্দ্র দাসের ছেলে লেদু মিয়া সর্দার, একই এলাকার মনাত সর্দারের ছেলে গোপাল সর্দার, তার ছেলে লিটন সর্দার, দিলিপ সর্দারের ছেলে জুমুর সর্দার, বাবুল সর্দারের ছেলে লিটন, মৃত বরদ্দারের ছেলে অরুণ সর্দার ও বোয়ালখালী উপজেলার গৌর নন্দী এলাকার হাসির ছেলে দুলাল।
উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের বদি উদ্দিন পাড়া এলাকায় শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এ ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় সমালোচনার ঝড় উঠে।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এসব জেলেদের এমন নির্যাতনে ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। কিন্তু নির্যাতনের খবর ও ভিডিও প্রকাশ হলেও এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। তাই বাধ্য হয়ে নির্যাতন সয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরে যায় অসহায় এসব জেলে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পেকুয়ার পেচু মিয়া বাড়ীর পুকুরে মাছ ধরার জন্য চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে মজুরিভিত্তিক একদল জেলে আনেন মিয়া বাড়ির কারবারি ও রাজাখালী ইউনিয়নের বদিউদ্দীনপাড়ার নুরুল আবছার প্রকাশ বদু মেম্বার। মাছ ধরা শেষে জেলেরা তাদের জালসহ আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম নিয়ে পটিয়ার উদ্দেশে রওয়ানা করেন। কিন্তু তারা ইউনিয়নের মগনামা সীমান্ত ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বদু মেম্বারের নির্দেশে একদল ব্যক্তি তাদের আটক করে ফের বদিউদ্দিনপাড়ায় নিয়ে যায়। সেখানে তাদের বিরুদ্ধে মাছ চুরির অভিযোগ এনে আটকে রেখে একই এলাকার আতিক, আব্দুল কাদের, ওসমান গণিসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি নির্যাতন চালান। এ সময় তাদের মাথা ন্যাড়া করে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ঘুরানো হয়। পরে পুলিশের মধ্যস্থতায় নির্যাতিত জেলেরা মুক্তি পায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পেকুয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম খান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ না পাওয়ায় আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য নুরুল আবছার বদু মেম্বারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
সায়ীদ আলমগীর/আরএ/জেআইএম

%d bloggers like this: