Blog

Congratulation to all Indian on the occasion of 72th independence day of India.

Congratulation to all Indian on the occasion of 72th independence day of India. …….. Shipan Kumar Basu.

Today, the world’s largest democratic country is India’s 72nd Independence Day. On behalf of the World Hindu Struggle Committee, on the occasion of Independence Day, I know all the people of India, sincere warmth and good wishes.
On the other hand, the Noakhali riots of 1946 and the Great Calcutta Killing “Direct Action” (Referred to by the book “How To Be From Refugees”, written by Sri Devjyoti Roy) is the main provocative donor and enemy of the nation giving a boost to Hindu killings and the most hateful person in Bangladesh’s history, Hussein Shaheed Suhrawardy Today, the 43th anniversary of Sheikh Mujibur Rahman, one of the co-collaborators, is today.
When hundred people of India are celebrating Independence Day with joy, the Bangladeshi ministers and MPs are celebrating the mourning day with thousands of cows, buffaloes and goats sacrificed and joyfully all over the country. The mourning day is not happy, but the country’s ministers and MPs are doing that. Because they know that Sheikh Mujib did not really want Bangladesh’s independence, he wanted to be the Prime Minister of Pakistan. That is why, on 15th August, 1975, Sheikh Mujib was killed in Savar, but no ordinary person was upset.
When Sheikh Hasina came to power on June 12, 1996, Sheikh Mujib was imposed on the people as the Father of the Nation and the best Bengali of the thousand years, and the people were forced to obey it by law and neither would they be imprisoned. And despite this fear, despite being reluctant, today’s day is observed as mourning day.
I think, Sheikh Mujib who is a joke about the fate of the Bengali nation, can never be the father of the nation or the best Bengali of the thousand years.

আজ বিশ্বের বৃহত্তম গনতান্ত্রিক দেশ ইন্ডিয়ার ৭২ তম স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটির পক্ষ থেকে আমি ইন্ডিয়ার সকল জনগনকে জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।
অন্যদিকে, ১৯৪৬ সালের নোয়াখালী দাঙ্গা ও গ্রেট কলকাতা কিলিং “ডাইরেক্ট এ্যাকশন” (তথ্যসূত্রঃ শ্রী দেবজ্যোতি রায়ের লেখা “কেন উদ্বাস্তু হতে হল” বই থেকে নেওয়া) এর প্রধান উস্কানি দাতা ও হিন্দু নিধনে উৎসাহ প্রদানকারী জাতির শত্রু এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃনিত ব্যাক্তি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর অন্যতম সহযোগী শেখ মুজিবর রহমানের আজ ৪৩ তম হত্যা দিবস।
ভারতের শতকোটি মানুষ যখন আজ আনন্দের সাথে স্বাধীনতা দিবস পালন করছে, তখন বাংলাদেশের মন্ত্রী ও এমপিরা সারাদেশে হাজার হাজার গরু, মহিষ ও ছাগল কুরবানী দিয়ে ভুরিভোজ ও আনন্দের সাথে শোক দিবস পালন করছে। শোক দিবস আনন্দের না হলেও দেশব্যাপী মন্ত্রী ও এমপিরা সেটাই করে যাচ্ছেন। কেননা তারা জানেন প্রকৃতপক্ষে শেখ মুজিব কখনোই বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি, সে চেয়েছিল পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে। সেজন্যই, ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট স্বপরিবারে শেখ মুজিবকে হত্যা করলেও সাধারণ মানুষের কোন মন খারাপ হয়নি।
১৯৯৬ সালের ১২ ই জুন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে শেখ মুজিবকে জাতির পিতা ও হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী হিসাবে জনগণের উপরে চাপিয়ে দেয় এবং আইন করে জনগনকে এটি মানতে বাধ্য করা হয় নয়তো জেল খাটতে হবে। আর এই ভয় থেকেই অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও আজকের দিনকে শোক দিবস হিসাবে পালন করে যাচ্ছে।
আমি মনেকরি, বাঙ্গালী জাতির ভাগ্য নিয়ে তামাশা কারী শেখ মুজিব কখনোই জাতির পিতা কিংবা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি হতে পারেনা।

%d bloggers like this: