Condemn and Protest

জনাবা আয়েশা হক, হিন্দুদের হুমকি দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা হক সাহেবা বলেছেন এখন থেকে বাহুবল উপজেলায় সকল হিন্দুদের বিবাহ নিবন্ধন করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্টদের বিরোদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা হ্রহন করা হইবে।জনাবা, হিন্দুদের হুমকি দেওয়ার দুঃসাহস আপনি কোথায় পেলেন, জানিনা। তবে আপনার পরিহত পোষাক ও নাম দেখে মনে হচ্ছে আপনি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। আপনি একজন মুসলিম নারী হিসাবে দয়া করে জানাবেন কি – রেজিস্ট্রেশনকৃত বিয়ে গুলি মুসলিম নারীদের আজীবন সংসার করার নিশ্চয়তা প্রদান করতে পেরেছে কি-না ?  তাছাড়া আপনি বলেছেন- হিন্দু নারীদের বিয়ে সংক্রান্ত প্রতারণা বন্ধ করেতে, দালিলিক প্রমান ও আইনি সুরক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে সরকার হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন প্রণয়ন করেছে। আমি মনে করি দালিলিক প্রমান ছাড়া হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইনের আর কোন প্রয়োজন নেই। বাংলা ভাষায় হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন রেজিস্ট্রেশন করিলে এটারও প্রয়োজন নেই। কেননা, আমি দেখেছি এই ধরণের কাগজ পত্র একমাত্র বিদেশ গেলেই বেশি প্রয়োজন পরে সেক্ষত্রে বাংলা ডকুমেন্টেকে একদম মূল্যায়ন করা হয় না। নিবন্ধন পদ্ধতি বাংলার পাশাপাশি ইংরেজীতে চালু করতে না পারলে লোক দেখানো আইন করে হিন্দুদের হয়রানি করার কোন মানে হয় না। এখানে আরেকটি বিষয় বলে রাখি যে, হিন্দু নারীদের সাথে বিয়ে সংক্রান্ত কোন ধরনের প্রতারণা হিন্দু ছেলেরা করে না। মাঝেমধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা হলে হিন্দুরা পারিবারিক ভাবেই সমাধান করতে পারে, সেজন্য আদালতে খুব বেশি একটা দৌড়াঁতে হয় না।তাই আপনাকে বলতে চাই, হিন্দু নারীদের নিয়ে দুঃচিন্তা বাদ দিয়ে ভাবুন মুসলিম নারীদের সংসার কিভাবে আজীবন টিকিয়ে রাখা যায়। হিন্দুরা যদি মনে করে, তাদের বিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা প্রয়োজন তাহলে হিন্দুরাই উদ্দোগ গ্রহন করবে সেজন্য আপনাকে মাথা ঘামাতে হবে না।’ হিন্দুরা যেমন ইসলামিক আইন কানুন পরিবর্ত নিয়ে মাথা ঘামায় না, তেমনি হিন্দুদের নিয়মকানুন পরিবর্তন নিয়ে মুসলমানদেরও মাথা ঘামানো উচিত না। যার যার ভাবনা তাদেরকেই ভাবতে দেওয়া উচিত। আপনার বক্তব্য টি শুধু হুমকিমূলক নয় অনধিকার চর্চারও সামিল। হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা হকের হুমকি মূলক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নিহার রঞ্জন বিশ্বাস। প্রধান গণমাধ্যম সমন্বয়ক, ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটি।

নেত্রকোনায় প্রশানিক কর্মকর্তা কর্তৃক হিন্দুদের সূক্ষ্ম হুমকি; নিন্দা ও প্রতিবাদ- WHSC

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আল-ইমরান রুহুল ইসলাম বলেছেন, আজানের সময় দূর্গা পূজার মাইক বন্ধ রাখতে হবে। ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটি তার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সেই সাথে তার কাছে জানতে চাই, কোন্ ক্ষমতা বা কার ইন্ধনে তিনি এই হিন্দু বিদ্ধেষী কথা বলার সাহস পেয়েছেন? আমরা তাকে স্পস্ট ভাবে বলতে চাই, ৩৬৫ দিনে ১ বছর; এর মধ্যে মাত্র ৫ দিন আমরা হিন্দুরা ঢাক বাঁজিয়ে পূজা করে থাকি আপনারা ৩৬৫ দিনই মাইক বাঁজিয়ে দৈনিক ৫ রার আযান দেন, তাছাড়া শীতকালে প্রতিদিনই ১০ টিরও অধিক মাইক লাগিয়ে মাহফিলে ওয়াজ করা হয় এবং উক্ত মাহফিল থেকে হিন্দু ও অন্যান্য অমুসলিমদের বিরোদ্ধে বিভিন্ন ধরনের কুত্সা রটনা করা হয়। কই, কোন হিন্দু তো আজ পর্যন্ত বলেনি পূজার সময় মাইকে আযান দেওয়া বা ওয়াজ করা যাবে না! তাহলে হিন্দুরা কেন মাত্র ৫ দিনের পূজার জন্য বাজনা বন্ধ রাখবে ? এটাই কি অসাম্প্রদায়িক মনোভাব নাকি পরোক্ষভাবে হিন্দুদের পাছায় হাত বুলিয়ে সূক্ষ্ম হুমকি দিয়ে তাদের সহায়-সম্পত্তি লুন্ঠন করে দেশ থেকে বের করে দিয়ে তাদের সমস্ত সম্পত্তি দখল করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ? নাকি এই দেশে থাকতে হলে জিজিয়া কর দিতে হইবে মর্মে ইসলামী সরকারের অন্তরের গোপন বাণী প্রচার কাজের অংশ স্বরূপ সরকারী প্রশাসন কর্তৃক এরূপ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে? মনে রেখো, হিন্দুরা এই দেশে বন্যার জলে ভেসে আসেনি, তারা এই দেশের ভূমি পুত্র তাদের অধিকারের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করে এই দেশে কখনো শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। আজ প্রশাসিনক কর্মকর্তারা যেভাবে হিন্দুদের বিরোদ্ধে অবস্থান নিয়েছে তাতে করে এই দেশে হিংসা, ঘৃণা ও অশান্তির বীজ বপন করা হচ্ছে। এই গুলি একদিন বটবৃক্ষ হয়ে হিন্দুদের পোড়াবে এবং নিজেরাও পুড়বে এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি হবে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সিরিয়া ও ইরাকের মতো। এখনও সময় আছে আসুন অন্তরের কালিমা ঘুচিয়ে একটি সুন্দর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠন করার লক্ষ্যে কাজ করি। তিনি বলেন, কোন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে গিয়ে যাতে অন্য কোন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে ব্যঘাত সৃষ্টি না হয় এদিকে সকল ধর্মের মানুষকে খেয়াল রাখতে হবে। এখানে প্রশ্ন হল যে, হিন্দুদের পূজায় বাজনা বাজাতে নিষেধ করার মাধ্যমে হিন্দুদের ধর্ম পালনে কি ব্যাঘাত সৃষ্টি কারা হয়নি? তিনি আরও বলেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বানী দিয়েছেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এখানে প্রশ্ন হল যে, হিন্দুদের পূজায় বাজনা বাজাতে নিষেধ করার মধ্য দিয়ে আপনারা কিসের উত্সব পালনের কথা বলছেন ? আপনারা কি জানেন, আরতির সময় ঢাক বাজানো দূর্গা পূজার অন্যতম একটি আংশ! আপনারা সেই বাজনাটাই বাজাতে নিষেদ করেছেন! আপনারা হয়তো যুক্তি দেখাবেন যে, অযানের সময় বাদ দিয়ে বাজনা বাজানো যাবে। আযান আর সন্ধ্যা আরতি যদি একসাথে হয় তাহলে কি করবে ? হয়তো বলবেন আযানের পরে যেন সন্ধ্যা আরতি করা হয়। আপনাদের কাছে প্রশ্ন রেখে বলতে চাই, অসময়ে যেমন আযান দেওয়ার বিধান নেই তেমনি সময়ের বাহিরে গিয়ে সন্ধ্যা আরতি করারও কোন নিয়ম হিন্দু ধর্মে নেই। ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটি, নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আল-ইমরান রুহুল ইসলামের সুপরিকল্পিত, সাম্প্রদায়িক ও সূক্ষ্ম হুমকিমূলক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।   প্রসঙ্গঃ আজানের সময় দূর্গা পূজার মাইক বন্ধ রাখুন : রুহুল ইসলাম। কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-ইমরান রুহুল ইসলাম বলেছেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ বাংলাদেশ। এই দেশের সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীন ভাবে যার যার ধর্ম পালন করছেন সুদীর্ঘকাল থেকে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বানী দিয়েছেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার। সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রত্যেকের ধর্ম কর্ম স্বাধীনভাবে পালন করার লক্ষ্যে মসজিদে আজানের ধ্বনির সময় দূর্গা মন্দিরের মাইক প্রচার বন্ধ রাখার জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, কোন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে গিয়ে যাতে অন্য কোন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে ব্যঘাত সৃষ্টি […]

Sheikh Hasina is in UN as Representative only of Muslim community

Condemn and Protest: This picture and name plate proves that Bangladesh is a Islamic country not the secular country. There is an Arabic writing above the English writing in the name plate of Bangladesh. As a secular country, any country should not use religious fonts next to its name. But Bangladesh has done it. As we before told that, Sheikh Hasina Is not a non communal leader. Now, have you gotten evidence? Moreover, is she just representing Muslims? No never. All the leaders of the world has known that, there are 4 sort of religion people lived in Bangladesh beside Muslims.Such as Hindu, Buddhist, and Christian. This picture proved she is a representating only of Muslim community. What a surprise! isn’t? We condemn and protest it- World Hindu Struggle Committee (WHSC). Report by Nihar Ranjan Biswas, Chief Media Coordinator at WHSC

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রতিমা ভাঙচুরকারীদের উত্সাহিত করবে!

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন প্রতিমা ভাঙচুরের সব ঘটনা উদ্দেশ্য প্রণোদিত না, কিছু ঘটনা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণেও ঘটেছে। আমি তার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সকল সনাতনী দাদা ও দিদিদের অনুরোধ করছি স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর জন্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রমাণ হয় যে হিন্দুরাই নিজেদের প্রতিমা ভাংচুর করে মুসলমানদের উপর দোষ চাপাচ্ছে! আমি স্বরাস্ট্রমন্ত্রী কে চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি যে, আজ পর্যন্ত কোন হিন্দু নিজেদের প্রতিমা ভাঙচুর করেনি। বরং প্রতিমা ভাঙচুর করতে গিয়ে কেউ ধরা পরলে আপনার প্রশাসন ও আওয়ামী নেতারাই তাকে পাগল ও মানসিক রোগী সাঁজিয়ে বাঁচিয়ে দিয়েছে; এর যথেষ্ঠ প্রমাণও রয়েছে।   স্বরাস্ট্রমন্ত্রীকে বলতে চাই হিন্দুরা নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্ধ করলেও কখনো প্রতিমা ভাংচুর করেনা বরং আলাদাভাবে পূজার আয়োজন করে পূজার সংখ্যা বৃদ্ধি করে, যার কারণে আপনারা বলতে পারেন এই বছর দেশে ৩১,১০০ পূজা অনুষ্ঠিত হইবে। স্বরাস্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে আরও প্রমাণ হয় যে, সরকার ও আওয়ামী লীগ প্রতিমা ভাংচুরকারীদের পরোক্ষ মদতদাতা। যদি তাই না হবে তাহলে আজ পর্যন্ত একটি ঘটনারও ন্যায় বিচার নিশ্চিত হয়নি কেন ? তাছাড়াও আপনি বলেছেন, পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তায় সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে তিন লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এখন প্রশ্ন হলো যে, দুর্বৃত্ত নামক আপনার আদরের ভাইয়েরা যদি প্রতিমা ভাংচুর না-ই-বা করবে! তাহলে নিরাপত্তার প্রশ্ন আসছে কেন ??? মূল সংবাদঃ উদ্দেশ্যমূলক প্রতিমা ভাঙচুর করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উদ্দেশ্যমূলকভাবে কেউ পূজামণ্ডপ ও প্রতিমা ভাঙচুর করলে সরকার তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেছেন, আজকের সভায় সাম্প্রতিক সময়ে পূজামণ্ডপ ও প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়টি নিয়ে চুলছেঁড়া বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সব ঘটনা উদ্দেশ্য প্রণোদিত না। কিছু ঘটনা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণেও ঘটেছে। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সভা শেষে মন্ত্রী এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বছর ৩১ হাজার ১০০ পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তায় সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাড়ে তিন লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। পূজামণ্ডপ ও প্রতিমা ভাঙচুর নিয়ে প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসব ঘটনার মধ্যে সবকিছু উদ্দেশ্যমূলক, তা নয়। এখানে নেতৃত্ব নিয়েও মতবিরোধ রয়েছে। যেগুলো উদ্দেশ্যমূলক, সেসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি। যাতে এসব ঘটনা আর না ঘটে। কিছু কিছু ঘটনা নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। উত্সঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন।