Nihar Ranjan Biswas

যোগ (YOGA) ও যোগের ইতিহাস

ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দুধর্ম ও দর্শনের একটি ঐতিহ্যবাহী শারীরবৃত্তীয় ও মানসিক সাধনপ্রণালী। “যোগ” শব্দটি পরে হিন্দু ছাড়াও বৌদ্ধ ও জৈনধর্মের ধ্যানপ্রণালীতে একীভূত হয়েছে। বর্তমানে এটি সমগ্রবিশ্বে সকল ধর্মের মানুষ পালন করে থাকে। হিন্দু দর্শনে যোগের প্রধান শাখাগুলি হল রাজযোগ, কর্মযোগ, জ্ঞানযোগ, ভক্তিযোগ ও হঠযোগ। যোগের মূল হিন্দুধর্মের কোথায় বা কে এর প্রবর্তক তা সঠিক নির্ণয় খুব কঠিন, কেননা হিন্দুধর্মের প্রাচীনত্বের সাথে ওতপ্রোত জড়িয়ে আছে যোগ। দেবাদিদেব মহাদেবকে সর্বশ্রেষ্ঠ যোগী বলা হয়। মহর্ষি পতঞ্জলি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদর্শনের কাঠামোগত রূপ দেন। পতঞ্জলির যোগসূত্রে যে যোগের উল্লেখ আছে, তা হিন্দু দর্শনের ছয়টি প্রধান শাখার অন্যতম (অন্যান্য শাখাগুলি হলো কপিলের সাংখ্য, গৌতমের ন্যায়, কণাদের বৈশেষিক, জৈমিনীর পূর্ব মীমাংসা ও বাদরায়ানের উত্তর মীমাংসা বা বেদান্ত)। অন্যান্য যেসব হিন্দু শাস্ত্রগ্রন্থে যোগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেগুলি হলো উপনিষদ্, ভগবদ্গীতা, হঠযোগ প্রদীপিকা, শিব সংহিতা, বিভিন্ন পুরাণ ও বিভিন্ন তন্ত্রগ্রন্থ। যোগ ইতিহাসের প্রাচীনত্ব অন্তত ৫০০০ বছর বা তারও অধিক। সংস্কৃত “যোগ” শব্দটির একাধিক অর্থ রয়েছে। এটি সংস্কৃত “যুজ” ধাতু থেকে ব্যুৎপন্ন, যার অর্থ “নিয়ন্ত্রণ করা”, “যুক্ত করা” বা “ঐক্যবদ্ধ করা”। “যোগ” শব্দটির আক্ষরিক অর্থ তাই “যুক্ত করা”, “ঐক্যবদ্ধ করা”, “সংযোগ” বা “পদ্ধতি”। যিনি যোগ অনুশীলন করেন বা দক্ষতার সহিত উচ্চমার্গের যোগ দর্শন অনুসরণ করেন, তাঁকে যোগী বা যোগিনী বলা হয়। পতঞ্জলি তাঁর সাধনপাদের দ্বিতীয় সূত্রে যোগের যে সংজ্ঞা দিয়েছেন, সেটিকেই তাঁর সমগ্র গ্রন্থের সংজ্ঞামূলক সূত্র মনে করা হয়: যোগশ্চিত্তবৃত্তিনিরোধঃ।। যোগসূত্র ১.২ অর্থাৎ “যোগ হল মনের (“চিত্ত”) পরিবর্তন (“বৃত্তি”) নিবৃত্তি (“নিরোধ”)। অর্থাৎ চিত্তকে বিভিন্ন প্রকার বৃত্তি বা পরিণাম গ্রহণ করিতে না দেওয়াই যোগ। স্বামী বিবেকানন্দ এই সূত্রটির ইংরেজি অনুবাদ করেছেন, “Yoga is restraining the mind-stuff (Citta) from taking various forms (Vrittis).” স্বামী বিবেকানন্দ একে আরও উদাহরণের সাথে স্পষ্ট করেছেন তাঁর পাতঞ্জল যোগসূত্রে- মানুষ ঘুমিয়ে চক্ষু খুলে রাখলেও তার দর্শনের অনুভূতি হয় না। অর্থাৎ চক্ষুর সাথে চিত্তেরও সম্পর্ক থাকা বাঞ্ছনীয়। আবার তিনি বলেছেন- ‘আমরা হ্রদের তলদেশ দেখিতে পাই না, কারণ উহার উপরিভাগ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তরঙ্গে আবৃত। যখন তরঙ্গগুলি শান্ত হয়, জল স্থির হইয়া যায়, তখনই কেবল উহার তলদেশের ক্ষণিক দর্শন পাওয়া সম্ভব। যদি জল ঘোলা থাকে বা উহা ক্রমাগত নাড়িতে থাকে, তাহা হইলে উহার তলদেশ কখনই দেখা যাইবে না। যদি উহা নির্মল থাকে, এবং উহাতে একটিও তরঙ্গ না থাকে, তবেই আমরা উহার তলদেশ দেখিতে পাইব।.. যিনি মনের এই তরঙ্গগুলি নিজের আয়ত্তে আনিতে পারিয়াছেন, তিনিই শান্ত পুরুষ’। সমাধিপাদের ২৯ সূত্রের ব্যাখ্যায় বিবেকানন্দ বলেছেন- ‘ক্রমাগত জপ ও চিন্তার ফল অনুভব করিবে- অন্তর্দৃষ্টি ক্রমশঃ বিকশিত হইতেছে এবং মানসিক ও শারীরিক যোগবিঘ্নসমূহ দূরীভূত হইতেছে’। এই কথাগুলোই কোয়ান্টাম নিজেদের মতো করে চালাচ্ছে অথচ তা বহু আগের কথা ও আমাদেরই কথা। বৈদিক সংহিতায় তপস্বীদের উল্লেখ থাকলেও, তপস্যার (তপঃ) স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায় বৈদিক ব্রাহ্মণ গ্রন্থে। সিন্ধু সভ্যতার (৩৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) বিভিন্ন প্রত্নস্থলে পাওয়া সিলমোহরে ধ্যানাসনে উপবিষ্ট ব্যক্তির ছবি পাওয়া গেছে। ধ্যানের মাধ্যমে চেতনার সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত হওয়ার পদ্ধতি হিন্দুধর্মের বৈদিক ধারায় বর্ণিত হয়েছে। নাসাদীয় সূক্ত এবং ঋগ্বৈদিক যুগেও ধ্যানপ্রণালীর অস্তিত্বের প্রমাণ মেলে। “যোগ” শব্দটি প্রথম উল্লিখিত হয়েছে কঠোপনিষদে। উক্ত গ্রন্থে “যোগ” শব্দটির অর্থ ইন্দ্রিয় সংযোগ ও মানসিক প্রবৃত্তিগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপনের মাধ্যমে চেতনার সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত হওয়া। যোগ ধারণার বিবর্তন যে সকল গ্রন্থে বিধৃত হয়েছে, imagesসেগুলি হল উপনিষদসমূহ, মহাভারত, (ভগবদ্গীতা) ও পতঞ্জলির যোগসূত্র । যোগের উল্লেখ শ্বেতাশ্বতর উপনিষদেও আছে। হিন্দু দর্শনে যোগ ছয়টি মূল দার্শনিক শাখার একটি। যোগ শাখাটি সাংখ্য শাখাটির সঙ্গে ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। পতঞ্জলি বর্ণিত যোগদর্শন সাংখ্য দর্শনের মনস্তত্ত্ব, সৃষ্টি ও জ্ঞান-সংক্রান্ত দর্শন তত্ত্বকে গ্রহণ করলেও, সাংখ্য দর্শনের তুলনায় পতঞ্জলির যোগদর্শন অনেক বেশি ঈশ্বরমুখী। পতঞ্জলি আনুষ্ঠানিক যোগ দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের লোক। যোগসূত্রের সংকলক তিনি। পতঞ্জলির যোগ, যা মনকে নিয়ন্ত্রণ করার একটি উপায়, তাকে রাজযোগ নামে […]

সংখ্যালঘু নির্যাতন ও অগ্নি সন্ত্রাস দমন করতে বারবার’ই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে সরকার।

সংখ্যালঘু নির্যাতন ও অগ্নি সন্ত্রাস দমন করতে বারবার’ই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে সরকার। ২০০১ নির্বাচনের পর হইতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সারা দেশে বিএনপি-জামাত কর্তৃক ব্যাপক আকারে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিরুদ্ধে বর্তমান আওয়ামী সরকার কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি এমনকি কোন রহস্যও উদঘাটন করতে পারেনি। ১/ ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নবাব কাটরার নিমতলীতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় ১২৪ জনের প্রাণহানির কথা এখনও মন থেকে মুছে যায়নি। ২/ ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি চকবাজারের চুরি হাট্টায় ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় সরকারি হিসেবে ৬৭ জন মৃতের কথা বলা হলেও মানুষের মুখে মুখে রটে গেছে প্রায় ৮০ জনের। ৩/ ২০১৯ সালের ২৮ শে মার্চ রাজধানীর বনানীর ফারুক রূপায়ণ (এফ আর) টাওয়ারে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় ২৫ জনের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। উপরোক্ত অগ্নিকান্ডের পরপরই অনেক তদন্ত কমিশন/জাতীয় কমিশন/অগ্নি নির্বাপনে করণীয় ইত্যাদি ইত্যাদি বিষয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা বিভিন্ন গণমাধ্যমের কল্যাণে দেখতে পেয়েছি। সরকারের এমপি, মন্ত্রী ও সিটি মেয়রদের অনেক প্রতিশ্রুতির কথাও দেশবাসী শুনেছে ও দেখেছে। এগুলোর একটি পদক্ষেপও বাস্তবায়ন করতে পারেনি সরকার। জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্রমশই ব্যার্থ হচ্ছে সরকার। ২০১৪ সালের ৫ ই জানুয়ারী নির্বাচনের পর থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিদিনই হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মেয়েদের ধর্ষণ, গণধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা, অপহরণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর করণ, খুন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, অগ্নি সংযোগ, জবার দখল, শ্মশান দখল, দলীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে শ্মশান লিজ দেওয়া, পুকুরের মাছ চুরি, বিঁষ দিয়ে পুকুরের মাছ নিধন, দেশ থেকে বিতারণও বিতারনের হুমকি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংখ্যালঘুদের চাকরি না দেওয়া (ইসলামী ব্যাংক/ইবনে সিনা গ্রুপ), বসত বাড়িতে হামলা, ভাংচুর, অগ্নি সংযোগ, লুটপাট, শারিরিক ভাবে আক্রমন, শ্লীলতা হানি করা সহ এই ধরণের মানবতা বিরোধী জঘন্য অপরাধের একটি ঘটনারও আজ পর্যন্ত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে পারেনি সরকার। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর হইতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামাত পন্থী সন্ত্রাসীরাও একইভাবে উপরোল্লিখিত মানবতা বিরোধী অপরাধ গুলো ঘটিয়ে ছিলো। কিন্তু তখনকার চারদলীয় জোট সরকার একটি ঘটনারও বিচার করেনি। কিছু সংখ্যক সুবিধাভোগী হিন্দু নেতা ও আওয়ামী লীগের ভাষ্যমতে বিএনপি-জামাত হচ্ছে চিহ্নিত সংখ্যালঘু বিদ্ধেষী দল, এই কারণে তারা বিচার করবে না এটাকে সংখ্যালঘুরা মেনেই নিয়েছিলো। অন্যদিকে, সংখ্যালঘুরা ভেবেছিলো আগামীবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে প্রতিটি ঘটনার বিচার পাবে! কিন্তু না তথাকথিত অসাম্প্রদায়িক দল আওয়ামী লীগও বিএনপির দেখানো পথেই হাটতে শুরু করলো। কোনভাবেই সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ হইলো না। বরং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘু নির্যাতনের কৌশল হিসাবে যোগ হয়েছে নিত্য নতুন কৌশল যেমনঃ (১) ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, (২) মহনবীর বিরুদ্ধে কুত্সা রটানো, (৩) কাবা শরীফ নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র ইত্যাদি ইত্যাদি। ….. নিহার রঞ্জন বিশ্বাস। ….. ৩০ শে মার্চ, ২০১৯ ইং।

নির্বাচনে হিন্দু নারীদের ভোট, নিহার রঞ্জন বিশ্বাস।

হিন্দু মা-বোনেরা দুপুরের পরে কেন্দ্রে যাবে এবং যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিবে। ভোটের দিন সকালে হিন্দু পাড়ায় ঢুকেই ঐ কে কোথায় আছেন গো, তাড়াতাড়ি সকাল সকাল ভোট দিয়ে চলে আসেন পরে ভিড় হয়ে যাবে, পু…রুষ লোকজন পরে গিয়ে ভোট দিতে পারবে। এইভাবে ডেকে ডেকে হিন্দু নারীদের কিছু লোক তাড়াতড়ি করে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যায়। তারাও ভেজাল এড়াতে খেয়ে না খেয়েই চলে যায় এবং পছন্দের লোকটিকে ভোট দিয়ে চলে আসে। এবং এই সুযোগে দেশের সাম্প্রদায়িক মিডিয়া গুলি ভোট কেন্দ্রের লাইনে দাঁড়ানো শাঁখা-সিধুঁর পড়া নারীদের ছবি ও ভিডিও করে নিয়ে আসে। মিডিয়া গুলিকে সাম্প্রদায়িক বলার কারণ হচ্ছে, সারা বছর হিন্দু নির্যাতনের কোন সংবাদ না ছাপলেও নির্বাচনের দিন তারা শাঁখা-সিধুঁর পড়া হিন্দু নারীদের ছবি ও ভিডিও করতেই বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কেন জানেন ? শুধুমাত্র বিদেশীদের ও দেশের কর্তা ব্যক্তিদের খুশি করতে আর তাদের মিডিয়ার কাটতি বাড়াতে। আশ্চর্য্যের বিষয় হচ্ছে, তখন হিন্দু বিদ্ধেষী দল গুলো যেমনঃ জামাতে ইসলাম, হেফাজতে ইসলাম এবং ওলামা লীগের মতো প্রচন্ড সাম্প্রদায়িক দলগুলোও কিন্তু শাঁখা-সিধুঁর পড়া হিন্দু নারীদের ছবি ও ভিডিও প্রচার করা নিয়ে কোন আপত্তি করেনা। তবে দিন শেষে পছন্দের প্রার্থী পাস করতে না পারলে তাদের হামলার লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত হয় হিন্দু পাড়া গুলোই আর প্রথম হামলাটা শাঁখা-সিধুঁর পড়া হিন্দু নারীদের উপরেই করা হয়। অন্যদিকে হিন্দুদের ভোট পেয়ে পাস করে যাওয়া প্রার্থীটিও তখন হিন্দুদের সাহা্য্যে এগিয়ে আসেনা। আসবেই বা কেন তখনতো ওনি আনন্দ মিছিল নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। আনন্দ মিছিল আগে না হিন্দুদের সাহায্য করাটা আগে! ঠিক এমনটা নির্দয় নয়, তিনি অবশ্য আসবেন কিন্তু সেটা পরের দিন দুপুরের পরে। এসে খুবই দুঃখ প্রকাশ করে বলবেন আমি গতকালই শুনেছি কিন্তু লোকজন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম তাই কাল আসতে পারিনি। তখন ভুক্তভোগী হিন্দু লোকজনদের শান্তনা দেওয়ার জন্য তিনি বলবেন তাদেরকে কোনভাবেই ছাড় দেওয়া হইবে না। আসলে আমরা হিন্দুরা একটু শান্তনা নামক হাওয়া পেলেই খুশিতে গদগদ হয়ে যাই, বিচার পাওয়ার প্রয়োজন পরেনা আর যেই দেশে সংখ্যালঘুরা বিচার পায়না সেখানে শান্তনাটাই বা কম কিসে ! ঘটনাস্খল পরিদর্শন শেষে তিনি বাড়ি গিয়ে দেখবেন হামলাকারীদের মধ্যে থেকে কয়েকজন ভালো মানুষ সেজে তার জন্য তারই বাড়িতে অপেক্ষা করতেছে। দেখা হতেই ওরা বলতে থাকবেন কাকা/নানা/ভাই মানে যে যেভাবে ডাকে আরকি, সেভাবই ডেকে বলছে কাকা পাড়ার কিছু ছেলে আমাদের বলেছে হিন্দু পাড়ায় গতকাল সন্ধার সময় কিছু কুলাঙ্গাররা হামলা করেছিলো তাদের সাথে আপনার বড় ভাইয়ের ছেলেটিও নাকি ছিলো.. ইত্যাদি ইত্যাদি, এখন কি করা ? তখন সদ্য পাস করা নেতা সাহেব তাদেরকে হাসি মুখে বলবেন, তোমরা বাড়িতে যাও আমি বিষয়টি দেখতেছি। আর যাওয়ার সময় তারে (ভাতিজাকে) বলে যেও সে যেন আপাতত হিন্দু পাড়ার দিকে না যায়। এভাবেই ভোটের সময়ের ও অন্যান্য সময়ে হিন্দু পাড়ায় হামলার ঘটনায় ন্যায় বিচারের আশ্বাস দেওয়া হয়। আর হিন্দুরাও ন্যায় বিচারের আশায় থাকে, দিন যায় মাস যায় বছরও য়ায় বিচার আর হয়না। এভাবেই ঘটনা গুলিকে ধামাচাঁপা দেওয়া হয়, বিচার কখনো হয়না। ন্যায় চিার চাইতে কেউই সহজে থানায় যায় না। প্রথমত, থানায় গেলে টাকা পয়সার একটা ব্যাপার থাকে। দ্বিতীয়ত, সরকারী দলের নেতারা চটে গেলে সমস্যা আরও জটিল হইবে। তৃতীয়ত, বর্তমানে থানা ওয়ালারাও সরকারী দলের নেতাদের কথার বাহিরে কিছু করিতে চায়না। সেজন্য আমি সকল হিন্দুদের আহব্বান করছি আগামী নির্বাচন গুলিতে, মা-বোনদের কখনো দুপুরের আগে ভোট কেন্দ্রে পাঠাবেন না। মা-বোনেরা দুপুরের পরে কেন্দ্রে যাবে এবং যাকে ইচ্ছা তাকে ভোট দিবে। কখনো কাউকে ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রোতি দেবেন না, সে যতই কাছের প্রার্থী হউক। আরও একটা বিষয় হলো সকাল সকাল হিন্দুদের ভোটের লাইন দেখে অনেকেই আন্দাজ করে নেয় তারা কোথায় ভোট দিয়ে গেছে, দিনের বাকী সময়ে তারা হামলার ছক কষে ফেলে। অতএব, আমাদের ভোট আমরা দিব, যখন ইচ্ছা তখন দিব, কারো […]

THE DISCRIMINATION BETWEEN HINDUS AND MUSLIMS IN BANGLADESH.

LET US SEE, HOW THE DISCRIMINATION BETWEEN HINDUS AND MUSLIMS IN BANGLADESH.ACCORDING TO THE GOVERNMENT OPINION, COUNTRY RELIGION IS ISLAM, BUT OTHER RELIGIONS WILL CONSUMPTION EQUAL RIGHTS.THE RIGHTS OF MUSLIMS ARE AS FLOWS ISLAMIC UNIVERSITIES HAVE BEEN ESTABLISHED. ARABIC UNIVERSITIES HAVE BEEN ESTABLISHED. ISLAMIC FOUNDATION HAVE BEEN ESTABLISHED. QAUMI MADRASA CERTIFICATE HAS BEEN GIVEN THE SAME VALIDITY AS THE MASTER DEGREE CERTIFICATE. 560 MOSQUE BUILD IN ALL UPAZILA (UNDER CONSTRICTION) ENJOY 6-DAY ANNUAL OFFICIAL LEAVE FOR 2 EID. 15,000/ TAKA ALLOWANCE FOR IMAM AND 12,000/ TAKA ALLOWANCE FOR MUEZZIN. ISLAMIZATION IS GOING ON IN SCHOOL TEXTBOOK. SALARY OF MADRASA TEACHERS ON GOVERNMENT SCALE. ALL HINDU TEACHERS ARE OBLIGED TO PARTICIPATE IN THE EID-E-MILADUNNABI. MORE THAN HUNDRED OF CASES FILED AGAINST HINDUS IN 57 ARTICLE IN THE FALSE ACCUSATION OF HURTING RELIGIOUS SENTIMENTS ENCOURAGE CONVERTED THROUGH THE GOVERNMENT ALLOTMENT TO THE WELFARE OF NEW MUSLIM. NON-MUSLIM PROHIBITED RECRUITMENT IN THE ISLAMIC FOUNDATION. THERE IS A MOSQUE IN EVERY GOVERNMENT COLONY. LIKE- UNION COUNCIL OFFICE, UPAZILA COUNCIL OFFICE, POLICE STATION, DISTRICT COUNCIL OFFICE, UPAZILA HEALTH CENTER, DISTRICT HOSPITAL, MEDICAL COLLEGE HOSPITAL, MEDICAL COLLEGE HOSPITAL AND UNIVERSITY, SPECIAL HOSPITAL, SECRETARIAT, MINISTRY, PLAY GROUND, PARLIAMENT INCLUDING SCHOOL, COLLEGE, UNIVERSITY AND ALL OF SUCH GOVERNMENT RELATED OFFICE. AND THE RIGHTS OF HINDUS CITIZENS ARE AS FOLLOWS: THE DEMAND FOR RESERVED SEATS AND SEPARATE NOMINATION SYSTEM IN THE PARLIAMENT HAS BEEN REJECTED. ONLY 3-DAYS OFFICIAL LEAVE IN DURGA PUJA (WORSHIP) HAS BEEN REJECTED. THE DEMAND OF TRAIL OF HINDU PERSECUTORS IN THE SPEEDY TRIBUNAL IS REJECTED. THE CLAIM OF MINISTRY OF MINORITY AFFAIRS IS REJECTED. THE MONTHLY SALARY OF THE SANSKRIT TEACHERS ONLY 180/TAKA. THE CLAIM OF VEDIC UNIVERSITY IS REJECTED. THE DEMAND OF RETURNING RECOVERED MURTIES (IDOLS) AND PROPERTIES OF MORE THAN 100 TEMPLES ACROSS THE COUNTRY IS REJECTED. LIKE- RAMNA KALI TEMPLE, MADANESHWAR MAHADEV JEU TEMPLE TIKATULI, SITANATH TEMPLE OF BANIYANAGAR, WARI SHANKHANIDHI TEMPLE AND SO ON. HALF OF THE EMPLOYEE INCLUDING THE PRESIDENT OF HINDU WELFARE TRUST ARE MUSLIM. TILL NOW NO MUSLIM WAS TAKEN UNDER ARTICLE 57 ALTHOUGH A PART OF MUSLIM ALWAYS ABUSE TO HINDU RELIGION. A PART FROM USING IMAGES AND VIDEOS OF HINDU TORTURE AS LADDER TO ASCEND POWER, THERE IS NO TRAIL AND COMPENSATE OF THE ATTACK ON HINDU HOMES, MATHS AND TEMPLES. THE DEMAND FOR SECULAR COUNTRY IDS REJECTED. REPUDIATION OF THE CONSTITUTION HAS BEEN REJECTED. DECLINE NOMINATION FOR THE PROPORTION OF TOTAL POPULATION. HAS BEEN REJECTED THE DEMAND NOT GIVING NOMINATION TO THE MINORITY PERSECUTORS. HAS BEEN DENIED THE DEMAND OF NO ISLAMIZATION SCHOOL TEXTBOOK. HAS BEEN REJECTED THE DEMAND OF RETURNING VESTED PROPERTIES TO THE RIGHTS PERSON. DON’T INTERFERENCE TO THE INHERITANCE LAW OF HINDU, BUT IT HAS BEEN REFUSED. DECLINING 20% QUOTA FOR MINORITIES IN THE GOVERNMENTS JOBS. THERE IS NO ANY TEMPLE, CHURCH, PAGODA IN A GOVERNMENT COLONY (WORKPLACE). SO, WHY MINORITIES WILL GO TO VOTE CENTER ON 30 TH DECEMBER TO VOTE ?OR IN THE WORDS OF SOME OPPORTUNIST BROKERS, TO LOSE THEIR HOMES, TO SEE THE ARSON, TO BE KILLED, TO BE RAPED AND TO BE PARALYZED ? (Report by Nihar Ranjan Biswas)

20 THOUSAND MINOR ABUSE IN THE 13 YEARS, NO ONE WAS PUNISHED.

20 THOUSAND MINOR ABUSE IN THE 13 YEARS, NO ONE WAS PUNISHED. VICTIMS SAID THAT AS A RESULT POLITICAL TURMOIL, VENGEANCE, GREED FOR POSSESSIONS AND AS A DIVERSIFIED STRATEGY, MINORITIES HAVE REPEATEDLY BEEN SUBJECTED TO ATROCITIES. In the 13 years after 2001, there have been more than 20,000 incidents of minority violence in the country. In addition to this, more than 6 hundred minority members of the family were killed and more than 60 thousand people were injured in different attacks and post-traumatic violence. About 12 thousand of them have become disabled. Millions of minority members have become unarmed in connection with the organized attacks, torture and looting. According to a report of Hindu-Buddhist-Christian Oikya Parishad, the amount of damage has exceeded millions of crores of rupees. Many reports of minority persecution and torture emerged in the report of the commission constituted to investigate the most barbarous atrocities committed during the rule of BNP-Jamaat alliance government till the 2001-06 period. Although the suspects were identified in the case of more than 5 thousand attacks in minority villages, no one was subjected to punishment. As a result, incidents of attacks, vandalism, arson and looted were on the rise. The assassination, looting, rape, along with rape, have also happened to be unimaginable. There were allegations that none of the culprits were convicted in the killings. For the sake of possession and plundering of land, it has been able to cover the chaos of atrocities by wearing political plaque. Sometimes there has been a panic in the way of making people conflict in communal riots in different places. The Hindu families who were attacked, vandalized and looted, were forced to leave the country even in poor condition in the face of more atrocities. After the formation of the BNP-Jamaat alliance government in 2001, the terrible torture that comes down to the minorities across the country is unimaginable. The investigation commission formed during the Awami League government received 5,571 complaints. The number of complaints received from October 2001 to December 31, 2002 was 3,625. Among them, 355 incidents of political murder and looting, arson, rape, gang rape, serious injuries, crippling forever, possession of property and other serious charges are 3,707. There are also cases of cancellation of 1,946 grievances by referring to the fact. More than 18,000 people are identified as involved in the investigation of 3,625 incidents. In 2001, the people who were attacked, looted, gang raped in post-election violence, could not even make the complaint to the police station or lodging the complaint. No one has complained about political reasons. The concerned people of the state did not remain vigilant on torture and terrorism on the minorities. 5,890 cases were withdrawn in the Political consideration of the assassination of the coalition government during the government’s tenure. As a result, 12 thousand criminals in these cases were vigilant without punishment. There are allegations that those criminals, after getting the chance of political instability, have again become victims of minority torture. The miscreants identified more than 1,500 attacks and torture in the last four months of the present Awami League led Grand Alliance government. Victims of the brutality of assault and torture at different times said that minorities have repeatedly been subjected to atrocities as a result of political turmoil, vengeance, assassination and other […]

প্রদীপ ঘোষ ও জামাল তালুকদারের সাক্ষাৎ, নিহার রঞ্জন বিশ্বাস।

প্রদীপ ঘোষ ও জামাল তালুকদারের সাক্ষাৎ, হাসিনার মিথ্যাচার ও জনবিরোধী কাজের জন্য প্রকাশ পেয়েছে তাদের ক্ষুবদ্ধ প্রতিক্রিয়া। গত ২৮/০৯/২০১৮ ইং তারিখ, ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটি পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি প্রদীপ ঘোষ এবং খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক জামাল তালুকদারের মধ্যে সাক্ষাৎ পর্বের আলোচনায় বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে দুজনেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ সময় জামাল তালুকদার বলেন, বিনা ভোটের অবৈধ সরকারের মদদে বাংলাদেশে প্রতিদিনই অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে, যেমন- খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, গুম, নারী নির্যাতন, সংখ্যালঘু নির্যাতন ও মানবাধিকারের লঙ্ঘনের মতো জঘন্য ঘটনা প্রতিদিনিই ঘটছে কিন্তু কেউ প্রতিকারের জন্য এগিয়ে আসছে না, প্রশাসনও সরকারী নেতাদের চাপে জনগনের পক্ষে কাজ করতে পারছেন না। মিঃ তাালুকদার দুঃখ করে বলেন, বাংলাদেশের সাধারন মানুষ বড়ই হাফিয়ে উঠেছে, পরিস্থিতি ক্রমশই নিয়ন্ত্রনের বাহিরে চলে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় সরকারের বিরুদ্ধে মুখ না খুলে, আর থাকতে পারছি না। আমি জানি সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলা মানে নিজের পায়ে কুড়াল মারার সমান। তিনি আরও বলেন, সকল দেশপ্রেমিক নেতাদের সাথে নিয়ে আমরা জনগনের কল্যানে একযোগে কাজ করে যাাব। সরকার যতই অত্যাচার করুক আমাদের অগ্রযাত্রাকে কেউ আটকাতে পারবে না এবং আশাকরি সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় অচিরেই আমরা একটি জনবান্ধব, অসাম্প্রদায়িক ও স্বাধীন চেতনায় বিশ্বাসী সম্পূর্ণ নতুন সরকার দেশবাসীকে উপহার দিতে সক্ষম হইব। মিঃ প্রদীপ ঘোষ বলেন, বাংলাদেশের অবৈধ সরকার শেখ হাসিনার প্রতিটি অনৈতিক কাজকর্মের সম্পর্কে আমরা অবহিত আছি। মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক কাজের জন্য হাসিনাকে চরম মূল্য দিতে হইবে। কোন ভাবেই শেখ হাসিনার খুন খারাবিকে সমর্থন করার সুযোগ নেই, খুব শীঘ্রই হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হইবে, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে। এসময় তিনি জমাল তালুকদার কে বলেন আপনারা এগিয়ে যান আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং থাকব। যেকোন মূল্যে হাসিনার অপ-তৎপরতাকে রূখতে হইবে নয়তো দেশ বাঁচাতে পারবেন না। উল্লেখ্য যে, আজ সকাল ১০ ঘটিকায় ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটি, পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি মিঃ প্রদীপ ঘোষ মহোদয়ের নিজ বাসভবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপরোক্ত বিষয়ে আলোচনা হয়।

A Declaration,

A Declaration: Mr. Pradip Ghosh, Dankuni, Hooghly, west bengal has been selected as a president of world hindu struggle committee of west bengal. It is to be noted that, this declaration will be effected from 1st October in 2018. I hope that, all citizen of west Bengal will co-operate to him. I wish him every success in life. Shipan Kumer Basu President World Hindu Struggle Committee. (26th September, 2018)

পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত শিবসেনাদের নিয়ে কলকাতায় বাংলাদেশের হাইকমশিন অফিস ঘেরাও করব- প্রদীপ ঘোষ।

গত ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং তারিখ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মষ্টমী উপলক্ষ্যে উপলক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা শহরস্থ ওয়ার্লন্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটির সভাপতি শিপন কুমার বসুর বাাসভবনে, পশ্চিমবঙ্গের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন নেততৃবৃন্দের সাথে বাংলাদেশে ক্রমাগত সংখ্যালঘু নির্যাতন ও করণীয় বিষয় নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  পশ্চিমবঙ্গ শিবসেনার সাধারন সম্পাদক প্রদীপ ঘোষ বলেন, আমিও বাংলাদেশের হিন্দুদের উপরে অমানবিক অত্যাচারের অনেক তথ্য পেয়েছি, যা রীতিমতো ভয়ংকর। গত কয়েকদিন আগের ঘটনা, কক্সবাজারের পেকুয়ায় মাছ চুরির অভিযোগ ৭ জেলেকে আটকে রেখে মাথার চুল কেটে শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে একটি প্রভাবশালী মহল। এতেও ক্ষান্ত না হয়ে জেলেদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ধর্মবিরোধী বক্তব্যও আদায় করে তারা। শুনে আমি খুবই বিস্মিত হই এবং ভাবছি এত নির্যাতন সহ্য করে বাংরাদেশে হিন্দুরা কিভাবে বসবাস করছে ? আমার কাছে সংবাদ আছে, হিন্দু নির্যাতনে প্রত্যক্ষ্য ভবে মদদ যোগাচ্ছে অবৈধ সরকার শেখ হাসিনা। এবং তার নির্দেশেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্রমাগত সংখ্যালঘু হিন্দু নির্যাতন, মূর্তি ভাংচুর, মন্দিরে হামলা, ধর্ষণ, ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা, গণধর্ষণ, মা-মেয়েকে একসঙ্গে ধর্ষণ, যুবলীগ নেতা কর্তৃক মা-মেয়েকে নৌকায় তুরে একসঙ্গে ধর্ষণ, অপহরণ, গুম, মুক্তিপণ দাবী, শশ্মান দখল, বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ ও দখল, বসত বাড়িতে আগুন দেওয়া, হিন্দু নির্যাতনের মামলা গুলোকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা এবং বিচারকার্যে কৌশলে আসামিদের বাঁচিয়ে দেওয়ার মতো জঘন্য প্রতিনিয়তই ঘটছে। বাংলাদেশরে হিন্দুরা আজ বড়ই অসহায়। আপিন যদি স্বেচ্ছায় হিন্দুদের রকক্ষার্থে কাজ না করেণ, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত শিবসেনাদের নিয়ে কলকাতায় বাংলাদেশের হাইকমশিন অফিস ঘেরাও করব। প্রয়োজনে দেশ-বিদেশের সমস্ত হিন্দু তথা সংখ্যলঘু বান্ধব সংগঠনদের সাথে নিয়ে বিশ্বজনমত গঠন করে শেখ হাসিনা সরকারকে সরিয়ে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করবো। সভা চলাকালীন সময়ের একপর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা আাজিজুল হকের মোবাইলে আলাপ প্রসঙ্গে বলেন, হিন্দুদের উপরে আলেম ওলামারা কখনো নির্যাতন করেছে বলে আমি শুনিনি এবং হিন্দুরাও এইধরনের অভিযোগ কখনো উত্থাপন করেনি। আমি আশা করব আপনারা ভবিষতেও এই ধরনের অমানবিক কাজে নিজেদের জড়াবেন না এবং সুখে-দুঃখে হিন্দু ও দেশের অন্যন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশে থাকবেন। স্টাফ রিপোর্টার- নিহার রঞ্জন বিশ্বাস।

শেখ হাসিনাকে কোনভাবেই আার ক্ষমতায় রাখা যায় না – দ্বিপঙ্কর ভট্টাচার্য্য।

গত ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং তারিখ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মষ্টমী উপলক্ষ্যে উপলক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা শহরস্থ ওয়ার্লন্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটির সভাপতি শিপন কুমার বসুর বাাসভবনে, পশ্চিমবঙ্গের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন নেততৃবৃন্দের সাথে বাংলাদেশে ক্রমাগত সংখ্যালঘু নির্যাতন ও করণীয় বিষয় নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হিউম্যান রাইটস দ্যা সি.পি.ডি.আর- এর সভাপতি দ্বিপঙ্কর ভট্টাচার্য্য বলেন, বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থা মোটেও ভাল নয়, তথাকথিত অসাম্প্রদায়িক নেত্রী শেখ হাসিনার আমলেও ক্রমাগত হিন্দু নির্যাতন অব্যাহত আছে। “পুকুরের বড় মাছ গুলি যেমন ছোট মাছ গুলিকে খেয়ে ফেলে” বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থাও তাই হচ্ছে। ওখানকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন ক্রমশঃ নিঃচিহ্নের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে, সরকার কোন কার্যকরী ভূমিকা পালন করছেন। তাই শেখ হাসিনার উপরে কোনভাবেই আর ভরসা করা যাচ্ছেনা। আমি বাংলাদেশের সংখ্যাগুরু মুসলিমদের আহ্বান করে বলছি- “ইট পাথরের তৈরী মসজিদে যদি সৃষ্টিকর্তা থাকতে পারে তবে মাটির মূর্তিতে ভগবান কেন থাকিতে পারিবে না” ? সবাই একই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি । হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টিয়ান ও আদিবাসিরা মিলেমিশে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করুণ, যেটি হবে সম্পূর্ন অসাম্প্রদায়িক নতুন সোনার বাংলাদেশ। নয়তো বাংলাদেশ একদিন সংখ্যালঘু শূণ্যে পরণিত হইবে আর তখন বাংলাদেশে “মুসলমানরা” আপনারাও শন্তিতে থাকিতে পারিবেন না। তাই আমি আপনাদের বলছি এখনো সময় আছে দেশটাকে রক্ষা করুন, সকল ধর্মের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এখনই স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা’কে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্যে কাজ শুরু করুন। এখনই উপযুক্ত সময়, শেখ হাসিনাকে কোনভাবেই আার ক্ষমতায় রাখা যায়না। কেননা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের অবশিষ্ট্য সংখ্যালঘু লোকজন গুলিও আর সেখানে থাকতে পারবে না, বাংলাদেশের অবস্থা হইবে সিরিয়া, আফগানিস্থান ও পাকিস্থানের মতো। স্টাফ রিপোর্টার- নিহার রঞ্জন বিশ্বাস।

বিভিন্ন সরকারের আমলেই নির্যাতনের শিকার হয়েছে বাংলাদেশের হিন্দুরা- প্রফেসর অমিতাভ মূখার্জী ।

গত ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং তারিখ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মষ্টমী উপলক্ষ্যে উপলক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা শহরস্থ ওয়ার্লন্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটির সভাপতি শিপন কুমার বসুর বাাসভবনে, পশ্চিমবঙ্গের উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন নেততৃবৃন্দের সাথে বাংলাদেশে ক্রমাগত সংখ্যালঘু নির্যাতন ও করণীয় বিষয় নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায়, হেলথকেয়ার ইন্ড্রাস্ট্রি ও পরিচালক ইন্সটিটিউট অব হায়ার লার্নিং টেকনিকেল- এর সাবেক সিইও প্রফেসর অমিতাভ মূখার্জী বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকার প্রধান শেখ হাসিনা বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে অমানবিক অত্যাচার, নির্যাতন, নিপিড়ন, জুলুম, হত্যা, ধর্ষণ ও অপহরণের মতো ভয়ানক কুকর্মকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষতাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানিতে পারিলাম, কিছুদিন পূর্বে শেখ হাসিনার নিজ জেলা গোপালগঞ্জে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় ৭০০ বিঘা জমি, স্থানীয় প্রভাবশালী এক ব্যক্তি বাঁশের বেড়া দিয়ে দখল করে নিয়েছে অথচ শেখ হাসিনা নিরবতা পালন করছে, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। গত ১৯ জুন ২০১৮ ইং, কিশোরগঞ্জ জেলার কাটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ব্যবসায়ী ধনুমিয়া ও তার ভাই ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছেলু মিয়া (৪০) এক হিন্দু বিধবা মাকে এবং ধনু মিয়ার ছেলে ইউনিয়নের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সুমন মিয়া অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণ করেছে এবং অমানবিক নির্যাতন করেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় থানার ওসি জাকির রাব্বানী ধর্ষন মামলার পরিবর্তে মারামারির মামলা লিপিবিদ্ধ করে, যার গোড়াতেই গলদ। এই ঘটনায় জড়িত সুমন মিয়াকে ১৫ ই আগষ্টে স্থানীয় আওয়ামী লীগের এমপি এডভোকেট মো. সোহরাব উদ্দিনের সাথে দেখা গেছে অথচ পুলিশ নাকি তাকে খুঁজেই পাচ্ছেনা, বিষয়টি বড়ই হাস্যকর ও অবিশ্বাস্য। আমি মনেকরি এই ধরনের কয়েকটি ঘটনা পর্যালোচনা করলেই বুঝা য়ায় যে, কে বা কারা বেশী অপরাধী ও অপরাধীদের কে বা কারা আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিচ্ছে ? তাছাড়া আমি মনেকরি, শেখ হাসিনা ও তার নিজ দলীয় নেতাদের সমর্থন ছাড়া কখনো ধারাবাহিক হিন্দু নির্যাতন সম্ভব নয়। বিভিন্ন সরকারের আমলেই নির্যাতনের শিকার হয়েছে বাংলাদেশের হিন্দুরা ভারতে পালিয়ে আসছে, এইভাবে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ক্রমশঃ কমে যাচ্ছে। এইরকম অবস্থা চলতে থাকলে বাংলাদেশ হিন্দু শূণ্য হইতে বেশী দিন লাগো না। আমি বিশ্বের সমস্ত শক্তিশালী দেশের সরকার প্রধানদের অনুররোধ জানাচ্ছি, আপনারা বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকদের, আদম শুমারী অনুযায়ী গ্রামে গ্রাামে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখুন কিভাবে দেশ থেকে হিন্দু জনসংখ্যা নিঃচিহ্ন হয়ে যাচ্ছে, তাহলে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের একটি সঠিক চিত্র পেয়ে যাবেন। তাছাড়া আমি বাংলাদেশের সমস্ত হিন্দুদের বলতে চাই, আপনারা অবৈধ শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলুন এবং সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রূখে দাঁড়ান, জয় হবেই একদিন। স্টাফ রিপোর্টার- নিহার রঞ্জন বিশ্বাস