WHSC in News

Discriminatory budget, minorities are deprived!

Minority community people say that in the year 2019-20 fiscal year, the minority community has been discriminated against in the national budget and through this budget, the Awami League government has clearly displayed their communal character in front of the public.431 crore taka for the construction of the mosque in the ongoing budget but there is no allocation for the construction of temples, churches and pagodas.In the year 2019-20, a total of Tk 431 crore seven lakhs have been allocated for setting up 560 model mosques and cultural centers in the district and upazilas, but there is no budget allocation for setting up temples, pagodas, churches and cultural centers for Hindu, Buddhist and Christian communities.The budget of the Ministry of Religions in the budget of this fiscal year 1 thousand 337 crore and 92 lakhs takas. In which development budget of 1074.47 crore Takas. In the development budget, Tk 1009 crore and 15 lakhs Taka will be spent only on the Islamic Foundation and Islamic Religious Project.According to the constitution’s promise, the state is committed to see all citizens equally regardless of caste. In the Ministry of Religions, the per capita allocation of the majority of the population, from 11 to 12 taka, per capita allocation of minority population is only 3 taka.This year, the government has announced an allocation of Tk 380 crore for child education and mass education programs for mosque-based children. Of which only 65 crore has been announced for minorities. 62 crore taka in temple based children and mass education program and only 3 crore taka in pre-primary education based on Pagoda. In the non-implementation budget, only 2% of the total amount of money is reserved for the minorities in the amount of 263 crores 65 lakhs. Although, in the fiscal year 2018-19, the budget allocated 171 crore 53 lakh taka, but the budget of this year is only 70.54 crore taka.. Proportional rate was 11% in the last year, but in the present budget only 5 % for minorities. There is no allocation for pilgrimage for Hindus, Buddhists and Christians, although there is an allocation of Rs 69.75 crore for Muslims for Hajj. There is 1.46 crore taka allocation for the national Baitul Mukarram Mosque but no any allocation money for Hindu-Buddhist-Christian central worship, in this budget. In order to run special activities, the proposal for allocation of 23 crore and 2 lakhs taka for the Imam Training Academy, but there is no such allocation for Hindus, Buddhists and Christians.Report by: Nihar Ranjan Biswas, chief media coordinator of World Hindu Struggle Committee.

বৈষম্যমূলক বাজেট, সংখ্যালঘুরা বঞ্চিত!

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন বলছে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাথে চরম বৈষম্যমূলক আচরন করা হয়েছে এবং এই বাজেটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার তার সাম্প্রদায়িক চেহারাটা জনগনের সামনে পরিস্কার ভাবে উপস্থাপন করেছেন। চলমান বাজেটে মসজিদ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৩১ কোটি টাকা, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডা নির্মাণে কোন বরাদ্দ নেই। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে জেলা ও উপজেলায় ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনে ৪৩১ কোটি সাত লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে অথচ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টিয়ান সম্প্রদায়ের জন্য মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনে বাজেটে কোন বরাদ্দ নেই। এবারের অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বাজেট ১ হাজার ৩৩৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা। যার মধ্যে উন্নয়ন বাজেট ১০৭৪.৪৭ কোটি টাকা। উন্নয়ন বাজেটে ১০০৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা শুধুমাত্র ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ইসলাম ধর্ম বিষয়ক প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। সংবিধানের অঙ্গীকার অনুযায়ী ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিককে সমভাবে দেখতে রাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এবারের ধর্ম মন্ত্রণালয় বাজেটে সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠীর মাথাপিছু বরাদ্দ যেখানে ১১ থেকে ১২ টাকা, সেখানে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠির মাথাপিছু বরাদ্দ মাত্র ৩ টাকা। এবারের অর্থ বছরে মসজিদভিত্তিক শিশু শিক্ষা ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের জন্য ৩৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করা হয়েছে। যার মধ্যে মাত্র ৬৫ কোটি টাকা সংখ্যালঘুদের জন্য ঘোষণা করা হয়েছে। মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে ৬২ কোটি টাকা ও প্যাগোডাভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষায় ৩ কোটি টাকা। অনুন্নয়ন বাজেটে ২৬৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকার মধ্যে সংখ্যালঘুদের জন্য মাত্র ২ ভাগ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৭১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এবারের বাজেটে টাকার অঙ্ক মাত্র ৭০.৫৪ কোটি টাকা। আনুপাতিক হার গতবার ১১ ভাগ থাকলেও এবার সংখ্যালঘুদের জন্য রয়েছে মাত্র ৫ ভাগ। মুসলিমদের জন্য হজ বিষয়কের জন্য ৬৯.৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের জন্য তীর্থ ভ্রমনের জন্য কোন বরাদ্দ নেই। এবারের বাজেটে বায়তুল মোকাররম মসজিদের জন্য ১.৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানদের কেন্দ্রীয় উপাসনালয়ে কোন বরাদ্দ রাখা হয়নি। বিশেষ কার্যক্রমে চালানোর জন্য ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির জন্য ২৩ কোটি ২ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে কিন্তু হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানদের জন্য এ ধরণের কোন বরাদ্দ রাখা হয়নি। নিহার রঞ্জন বিশ্বাস, প্রধান গণমাধ্যম সমন্বয়ক, ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটি।

যোগ (YOGA) ও যোগের ইতিহাস

ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দুধর্ম ও দর্শনের একটি ঐতিহ্যবাহী শারীরবৃত্তীয় ও মানসিক সাধনপ্রণালী। “যোগ” শব্দটি পরে হিন্দু ছাড়াও বৌদ্ধ ও জৈনধর্মের ধ্যানপ্রণালীতে একীভূত হয়েছে। বর্তমানে এটি সমগ্রবিশ্বে সকল ধর্মের মানুষ পালন করে থাকে। হিন্দু দর্শনে যোগের প্রধান শাখাগুলি হল রাজযোগ, কর্মযোগ, জ্ঞানযোগ, ভক্তিযোগ ও হঠযোগ। যোগের মূল হিন্দুধর্মের কোথায় বা কে এর প্রবর্তক তা সঠিক নির্ণয় খুব কঠিন, কেননা হিন্দুধর্মের প্রাচীনত্বের সাথে ওতপ্রোত জড়িয়ে আছে যোগ। দেবাদিদেব মহাদেবকে সর্বশ্রেষ্ঠ যোগী বলা হয়। মহর্ষি পতঞ্জলি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদর্শনের কাঠামোগত রূপ দেন। পতঞ্জলির যোগসূত্রে যে যোগের উল্লেখ আছে, তা হিন্দু দর্শনের ছয়টি প্রধান শাখার অন্যতম (অন্যান্য শাখাগুলি হলো কপিলের সাংখ্য, গৌতমের ন্যায়, কণাদের বৈশেষিক, জৈমিনীর পূর্ব মীমাংসা ও বাদরায়ানের উত্তর মীমাংসা বা বেদান্ত)। অন্যান্য যেসব হিন্দু শাস্ত্রগ্রন্থে যোগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে সেগুলি হলো উপনিষদ্, ভগবদ্গীতা, হঠযোগ প্রদীপিকা, শিব সংহিতা, বিভিন্ন পুরাণ ও বিভিন্ন তন্ত্রগ্রন্থ। যোগ ইতিহাসের প্রাচীনত্ব অন্তত ৫০০০ বছর বা তারও অধিক। সংস্কৃত “যোগ” শব্দটির একাধিক অর্থ রয়েছে। এটি সংস্কৃত “যুজ” ধাতু থেকে ব্যুৎপন্ন, যার অর্থ “নিয়ন্ত্রণ করা”, “যুক্ত করা” বা “ঐক্যবদ্ধ করা”। “যোগ” শব্দটির আক্ষরিক অর্থ তাই “যুক্ত করা”, “ঐক্যবদ্ধ করা”, “সংযোগ” বা “পদ্ধতি”। যিনি যোগ অনুশীলন করেন বা দক্ষতার সহিত উচ্চমার্গের যোগ দর্শন অনুসরণ করেন, তাঁকে যোগী বা যোগিনী বলা হয়। পতঞ্জলি তাঁর সাধনপাদের দ্বিতীয় সূত্রে যোগের যে সংজ্ঞা দিয়েছেন, সেটিকেই তাঁর সমগ্র গ্রন্থের সংজ্ঞামূলক সূত্র মনে করা হয়: যোগশ্চিত্তবৃত্তিনিরোধঃ।। যোগসূত্র ১.২ অর্থাৎ “যোগ হল মনের (“চিত্ত”) পরিবর্তন (“বৃত্তি”) নিবৃত্তি (“নিরোধ”)। অর্থাৎ চিত্তকে বিভিন্ন প্রকার বৃত্তি বা পরিণাম গ্রহণ করিতে না দেওয়াই যোগ। স্বামী বিবেকানন্দ এই সূত্রটির ইংরেজি অনুবাদ করেছেন, “Yoga is restraining the mind-stuff (Citta) from taking various forms (Vrittis).” স্বামী বিবেকানন্দ একে আরও উদাহরণের সাথে স্পষ্ট করেছেন তাঁর পাতঞ্জল যোগসূত্রে- মানুষ ঘুমিয়ে চক্ষু খুলে রাখলেও তার দর্শনের অনুভূতি হয় না। অর্থাৎ চক্ষুর সাথে চিত্তেরও সম্পর্ক থাকা বাঞ্ছনীয়। আবার তিনি বলেছেন- ‘আমরা হ্রদের তলদেশ দেখিতে পাই না, কারণ উহার উপরিভাগ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তরঙ্গে আবৃত। যখন তরঙ্গগুলি শান্ত হয়, জল স্থির হইয়া যায়, তখনই কেবল উহার তলদেশের ক্ষণিক দর্শন পাওয়া সম্ভব। যদি জল ঘোলা থাকে বা উহা ক্রমাগত নাড়িতে থাকে, তাহা হইলে উহার তলদেশ কখনই দেখা যাইবে না। যদি উহা নির্মল থাকে, এবং উহাতে একটিও তরঙ্গ না থাকে, তবেই আমরা উহার তলদেশ দেখিতে পাইব।.. যিনি মনের এই তরঙ্গগুলি নিজের আয়ত্তে আনিতে পারিয়াছেন, তিনিই শান্ত পুরুষ’। সমাধিপাদের ২৯ সূত্রের ব্যাখ্যায় বিবেকানন্দ বলেছেন- ‘ক্রমাগত জপ ও চিন্তার ফল অনুভব করিবে- অন্তর্দৃষ্টি ক্রমশঃ বিকশিত হইতেছে এবং মানসিক ও শারীরিক যোগবিঘ্নসমূহ দূরীভূত হইতেছে’। এই কথাগুলোই কোয়ান্টাম নিজেদের মতো করে চালাচ্ছে অথচ তা বহু আগের কথা ও আমাদেরই কথা। বৈদিক সংহিতায় তপস্বীদের উল্লেখ থাকলেও, তপস্যার (তপঃ) স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায় বৈদিক ব্রাহ্মণ গ্রন্থে। সিন্ধু সভ্যতার (৩৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) বিভিন্ন প্রত্নস্থলে পাওয়া সিলমোহরে ধ্যানাসনে উপবিষ্ট ব্যক্তির ছবি পাওয়া গেছে। ধ্যানের মাধ্যমে চেতনার সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত হওয়ার পদ্ধতি হিন্দুধর্মের বৈদিক ধারায় বর্ণিত হয়েছে। নাসাদীয় সূক্ত এবং ঋগ্বৈদিক যুগেও ধ্যানপ্রণালীর অস্তিত্বের প্রমাণ মেলে। “যোগ” শব্দটি প্রথম উল্লিখিত হয়েছে কঠোপনিষদে। উক্ত গ্রন্থে “যোগ” শব্দটির অর্থ ইন্দ্রিয় সংযোগ ও মানসিক প্রবৃত্তিগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ স্থাপনের মাধ্যমে চেতনার সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত হওয়া। যোগ ধারণার বিবর্তন যে সকল গ্রন্থে বিধৃত হয়েছে, imagesসেগুলি হল উপনিষদসমূহ, মহাভারত, (ভগবদ্গীতা) ও পতঞ্জলির যোগসূত্র । যোগের উল্লেখ শ্বেতাশ্বতর উপনিষদেও আছে। হিন্দু দর্শনে যোগ ছয়টি মূল দার্শনিক শাখার একটি। যোগ শাখাটি সাংখ্য শাখাটির সঙ্গে ওতোপ্রতোভাবে জড়িত। পতঞ্জলি বর্ণিত যোগদর্শন সাংখ্য দর্শনের মনস্তত্ত্ব, সৃষ্টি ও জ্ঞান-সংক্রান্ত দর্শন তত্ত্বকে গ্রহণ করলেও, সাংখ্য দর্শনের তুলনায় পতঞ্জলির যোগদর্শন অনেক বেশি ঈশ্বরমুখী। পতঞ্জলি আনুষ্ঠানিক যোগ দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের লোক। যোগসূত্রের সংকলক তিনি। পতঞ্জলির যোগ, যা মনকে নিয়ন্ত্রণ করার একটি উপায়, তাকে রাজযোগ নামে […]

Congratulation to “Jagat Prakash Nadda” Shipan Kumer Basu.

Congratulation to “Jagat Prakash Nadda” for being working president of Bharatiya Janata Party (BJP), on behalf of me and my organization World Hindu Struggle committee. It is to be noted that, The Bharatiya Janata Party (BJP) on Monday appointed former health minister Jagat Prakash Nadda as its working president. The Bharatiya Janata Party (BJP) on Monday appointed former health minister Jagat Prakash Nadda as its working president. The decision was taken at the meeting of the parliamentary board, the highest decision-making body, of the BJP. The meeting was attended by Prime Minister Narendra Modi, home minister Amit Shah and defence minister Rajnath Singh, who are all members of the BJP’s parliamentary board. Shipan Kumer Basu.President (international)World Hindu Struggle committee(whsc)18th June, 2019.

হিন্দু অধিকার নিয়ে কথা বলতে এত আপত্তি কেন ? শিপন কুমার বসু।

আমরা জানি যে জেরুজালেম হচ্ছে ইহুদীদের পবিত্র ধর্মীয় স্থান। জেরুজালেম শহরের পিছনে রয়েছে ৩,০০০ বছরের মহাকাব্যিক ইতিহাস। এ পর্যন্ত ৫২ বার আক্রান্ত হয়েছে জেরুজালেম। অবরোধ, দখল ও পুনরুদ্ধার হয়েছে ৪৪ বার। ঘেরাও করা হয়েছে ২৩ বার এবং ধ্বংস করা হয়েছে ২ বার। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েলের পত্তনের পর বিশ্বের প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বিশ্বের প্রভাবশালী দেশ গুলো জেরুজালেম শহরটিকে ইসরায়েলের বলে স্বীকৃতি দিলেও ফিলিস্তিনিরা জেরুজালেমরে দাবী থেকে সরে আসেনি, কারণ মুসলিম অধ্যুষিত দেশ গুলো বছরের পর বছর ফিলিস্তিনিদের উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি ওআইসি সম্মেলনে ৭০ টি মুসলিম দেশের সরকার জেরুজালেম নিয়ে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিবৃতি দিয়েছে, তাদের মধ্যে বাংলাদেশের হাসিনাও ছিল।২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী ফিলিস্তিনে ৪৮.২ লাখ জনসংখ্যার বসবাস। এই অল্প সংখ্যক মানুষের জন্য ৭০ টি মুসলিম দেশ ঐক্যবদ্দ হয়ে বিবৃতি দেয়, পাশাপাশি কিছু অমুসলিম দেশও তাদের মদদ যোগায়। আবার এদিকে বাংলাদেশে শরনার্থী হিসাবে বসবাস করা মাত্র ১০ লাখ রোহিঙ্গার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায় বার বার মিটিং করে, রোহিঙ্গাদের নিয়ে জাতিসংঘেও মিটিং হয়েছে, ইউরোপ, আমরিকাতেও মিটিং হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের ৩০ মিলিয়ন ও বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত ৫০.৫ মিলিয়ন (ভারতে উদ্বাস্তু হিসাবে বসবাসরত) হিন্দুদের জন্য আজ পর্যন্ত কেউ কোন বিবৃতি দেয়নি, কোথাও কোন মিটিংও হয়নি। আজ মনে বড় প্রশ্ন জাগে, বিশ্ব নেতৃবৃন্দরা কি সত্যিই সংখ্যালঘু ও নিপিড়িত মানুষের জন্য কাজ করে ? নাকি শুধু মুসলমানদের জন্যই কাজ করা তাদের একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব বলে মনে করে। উল্লেখ্য যে, ১৯৪৭ সালে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর হইতে এই পর্যন্ত ৫০.৫ মিলিয়ন হিন্দু বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে ভারতে চলে এসেছে। শুধুমাত্র ১৯৫০ সালে বাংলাদেশ থেকে ১ মাসে ৫০ লাখের বেশি হিন্দু বাধ্য হয় দেশান্তরিত হযে ভারতে আশ্রয় নিতে। ১৯৪৭ এর পর থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত এই ৫ বছরে পূর্ববঙ্গের হিন্দু ২৯% থেকে ২২% এ নেমে এলো, মুসলমানদের দ্বারা লিপিবদ্ধ ইতিহাসে এই তথ্য আপনি কোথাও পাবেন না। কেননা তারা হিন্দু নির্যাতন সম্পর্কে কখনোই সঠিক তথ্য প্রকাশ করবে না, এটা কমবেশি সবাই জানে। তারপর ১৯৭১ থেকে ২০১৯ এর এপ্রিল পর্যন্ত এই সময়ে বিএনপি-জামাতের খালেদা জিয়া সরকার, জাতীয় পার্টির এরশাদ সরকার ও আওয়ামী লীগের হাসিনা সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতিদিন বাড়িঘর ফেলে হিন্দুরা ভারতে পাড়ি জমিয়েছে। কারও শাসনামলেই বাংলাদেশের হিন্দুরা ভালো ছিল না। সরকরি হিসাবে এখনও বাংলাদেশে প্রায় ১০% বা ১৭ মিলিয়ন হিন্দু জনসংখ্যা আছে। আমাদের হিসাব অনুয়ায়ী এই সংখ্যাটা কম করে হলেও ৩০ মিলিয়ন হইবে।বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও হিন্দুরা প্রকৃত স্বাধিনতার স্বাদ আজও পায়নি। স্বাধীনতার আগে ও পরে হিন্দু নির্যাতন একই রয়েছে। বরং হাসিনা সরকারের আমলে হিন্দু নির্যাতন বেড়ে গিয়েছে কয়েক গুণ। তবুও বিশ্বসম্প্রদায় সম্পূর্ণ নিরবতা পালন করছে। শুধুমাত্র দরদ দেখাচ্ছে ফিলিস্তিনি ও রোহিঙ্গাদের জন্য। আমি মনেকরি, বাংলাদেশের হিন্দুদের সমস্যা একটি পুরানো ও বৃহত্তম সমস্যা। তাই বিশ্বসম্প্রদায়কে সর্ব প্রথম বাংলাদেশের হিন্দুদের সমস্যাটি সমাধান করার উদ্দ্যোগ নিতে হইবে। তারপরে ফিলিস্তিনি ও রোহিঙ্গাদের সমস্যা নিয়ে ভাবা উচিত। তাছাড়া ভারত সরকারের উচিত, সারা ভারতে NRC করে বাংলাদেশ থেকে আগত সকল হিন্দু উদ্বাস্তুদের ফেরত পাঠানো। মাতৃভূমি জননী সম, এটা সবাই জানে। প্রিয় মাতৃভূমি ছেড়ে হিন্দুরা আজ ভারতের মাটিতে খুব কষ্টে জীবণ যাপন করছে, এবং তাদের আত্মীয় পরিজন এখনও বাংলাদেশে রয়ে গেছে। আত্মীয় পরিজনের সাথে দেখা করতে ভারতে আসতে তাদের নানান ভোগান্তী পোহাতে হয়। দারীদ্রতার কারণে অনেকে আত্মীয় পরিজনের সাথে দেখাও করতে পারেনা। যেহেতু তাদের জন্মভূমি বাংলাদেশে এবং তাদের পূর্বপুরুষদের সমাধিস্থলও বাংলাদেশে, তাই তাদেরকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো ভারতের দায়িত্ব এবং কর্ত্যব্য। এতে করে ভারতে উদ্বাস্তু সমস্যাও লাগব হইবে এবং হিন্দুরাও তাদের প্রিয় মাতৃভূমি ও আত্মীয় পরিজনের সাথে বসবাস করিতে সামর্থ হইবে। কয়েকটি অনলাইন পত্রিকার মারফতে জানতে পারিলাম যে, ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূঁজা দিতে মোদীজি খুব শীঘ্রই বাংলাদেশে যাচ্ছেন। মোদীজির বাংলাদেশ সফরকে গুরুত্ব […]

Why so much objection to talking about Hindu rights ? Shipan Kumer Basu.

We know that Jerusalem is the holy place of the Jews. The City of Jerusalem has 3,000 years of epic history. Jerusalem has been attacked 52 times so far. Siege, occupation and recovery have been 44 times. It has been surrounded 23 times and it has been destroyed twice. After the formation of Israel in 1948, as the first country the United States recognizes Jerusalem as the capital of Isreal. Although the influential countries of the world recognize Jerusalem as Israel, Palestinians have not withdrawn from Jerusalem because the Muslim-dominated countries have provoked Palestinians for mant years. Recently, the government of 70 Muslim countries in the OIC conference issued a statement on behalf of the Palestinians about Jerusalem, among them Hasina of Bangladesh. According to the 2016, 48.2 lakh population lives in Palestine. For this small number of people, 70 Muslim countries make statements unanimously, as well as some non-Muslim countries. On the other hand, the world community repeatedly meets for a million Rohingyas who are living as a refugee in Bangladesh, a meeting with the Rohingyas also held in the United Nations, there is a meeting in Europe and America. But no one has given any statement to 30 million Hindus of Bangladesh and 50.5 million Hindus, living as refugees in India, coming from Bangladesh to being deportation. There is no meeting anywhere for them. Today a big question arises, do world leaders really work for the minority and the oppressed ? Or do they think that working for Muslims is their only sacred duty. It is to be noted that, after the Second World War in 1947, 50.5 million Hindus have been deported from Bangladesh and have come to India. In 1950, more than 5 million Hindus were forced to migrate from Bangladesh in India. From 1947 to 1952, the Hindus of East Bengal came down from 29% to 22%, you will not find this information in the history recorded by Muslims. Because they will never reveal the correct information about Hindu torture, it is known to everyone at least. Then, from 1971 to April 2019, at that time, the Hindus left for India in the Khaleda Zia government of BNP-Jamaat, Jatiya Party’s Ershad government and the communal Hasina Govt. of Awami League party. Under the rule of all the govt of Bangladesh, Hindus was not good. According to the government, there are almost 10% or 17 million Hindu population in Bangladesh. According to our calculations, this number will be minimum 30 million. Although Bangladesh was independent, Hindus did not even enjoy the true freedom today. Hindu torture is the same before and after independence. Rather, during the Hasina government, Hindu torture has increased multiple times. Yet, the world community is keeping complete silence. Only showing condolences for Palestinians and Rohingyas. I think, the problem of Hindus in Bangladesh is an old and biggest problem. Therefore, the world community will first seek to solve the problems of the Hindus of Bangladesh. Then think about the problems of Palestinians and Rohingyas. Moreover, the Indian government should send back all the Hindu refugees coming from Bangladesh by NRC all over India. Motherland is like a mother, everyone knows it. Due to the beloved motherland, Hindus are living very hard on the soil of India today left the motherland Bangladesh. To […]

Has been attempt to kill by burning a Hindu college girl student in Narsingdi.

Has been attempt to kill by burning a Hindu college girl student named Phulon Rani Barman, in Narsingdi district of Bangladesh.Miscreants has set fire in the body of a college girl student by pouring kerosene, in Narsingdi district. The girl’s name is Phulon Rani Barman and 22 years old.The doctors said that 20 percent of her body was burnt. She was admitted to Dhaka Medical College and Hospital in a critical condition.This incident occurred on Thursday (June 13th) at 8:30 pm at Birpur area of Narsingdi municipal.The burnt Phulon Rani Barman is the daughter of Yogendra Barman of Birpur Mahalla (area) and from the Udayan College of Narsingdi, she is from HSC. Afterwards there was no entry anywhere.The family members of the burned college girl said that, Phulon Rani Barman, who was returning home after a mobile recharge from a nearby shop. At that time, two unidentified miscreants took hold of her hand and took her to another place on the adjoining side. There poured kerosene into her body and set fire, after then miscreants ran away. After hearing the screaming of Phulon Rani Barman, the locals rescued her and took her to Narsingdi Sadar Hospital and later to Dhaka Medical College and Hospital.Narsingdi city outpost sub-inspector Mizanur Rahman said the incident was reported in the hospital, including talking to relatives in the hospital after the incident of the burns. After the investigation, it is possible to say the reason for the fire and who is involved in the incident.13/06/2019. Report by: Nihar Ranjan Biswas.

Again murder Hindu priest in Bangladesh !

Hindus feel helpless on Bengal soil.On 12th June, 2019, at around 2:30 pm, some religious extremists shot dead a Hindu priest named Alok Kumar Bagchi of Thakur Bari of Gopalpur village under the Natore district. It is to be mentioned that just one day before a Muslim extrimist youth killed a Hindu man named Vishnu Barman by separeted head from his body. But it was not immediately known why the priest was killed. The World Hindu Struggle Committee is deeply concerned about the killing of two Hindu men in a day.বাংলাদেশে আবারও পুরোহিত হত্যা ! হিন্দুরা বাংলার মাটিতে অসহায় বোধ করছে।গতকাল ১২ ইং জুন ২০১৯ ইং তারিখ, দুপুর ২:৩০ টার সময় নাটোরের লালপুর থানার গোপালপুর গ্রামের ঠাকুরবাড়ীর অলোক কুমার বাগচি নামে এক পুরোহিতকে গুলি করে হত্যা করা কতিপয় মুসলিম উগ্রপন্থি। উল্লেখ্য একদিন আগে একজন মুসলিম উগ্রপন্থি বিষ্ণু বর্মন নামের এক হিন্দু ব্যক্তিকে শিরচ্ছেদ করে হত্যা করে। তবে কি কারণে পুরোহিতকে হত্যা করা হয়েছে তাত্ক্ষকি জানা য়ায়নি। একদিন অন্তর দুজন হিন্দু ব্যাক্তি খুন হওয়ায় ওয়ার্ল্ড হিন্দু স্ট্রাগল কমিটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। Report by: Nihar Ranjan Biswas.

See the below, how spreading hate against all non-Muslims from childhood.

See the below, how spreading hate against all non-Muslims from childhood.Character of a non-Muslim:Islam says: Give Zakat to the poor in Allah’s way.In response: He says that if the zakat is given, my property will be reduced. I’ll take interest on my money.Islam says: always speak the truth. And refrain from lying.He answers: What do I do by accepting such a truth ? So that I will only be harmed, no profit. And why should I refrain from lying, which will be beneficial for me so that there is no fear of corruption ?He crossed a deserted road and saw a valuable thing.Islam says: This is not your wealth, but you can not accept this thing.Answer: He says, why would I leave the things that come automatically ? There is no one here, seeing that, who will informed the Police or witness the in court. Then why would I not be benefited from the money collected ?In every step of life, Islam will instruct him to follow a special path, and non-Muslim will follow the full opposite path. Because, the value of everything in Islam is determined by the results of the Hereafter. But the non-Muslim person thinks about each and every situation about the consequences of the world. Why people can not be Muslim without faith in the Hereafter, it is clearly understood. It is not far away from being a Muslim, in fact, non-Muslim people reject the Hereafter and non-Muslim people go to the lower level than animals.NB: The above information has been added to the purpose of all Muslims in the fifth grade book Named “Islam and Moral Education” published by National Curriculum and Textbook Board Dhaka, Bangladesh. There is no similarity with reality. This book has been reprinted in last 2018. On the 16th and 17th no page of this book, the insidious writings above have been there. Report by: Nihar Ranjan Biswas.

A Hindu man has been killed by separating head in Netrokona of Bangladesh.

A Hindu man was killed by separating head from the body by hacking him in Netrokona Sadar upazila; Police arrested a Muslim youth on charges of involvement in the incident.Netrokona Model Police Station OC Tajul Islam said this incident happened at around 12:30 pm on Tuesday (June 11, 2019) in the sakua area of this upazila.The deceased was identified as Bishnu Barman (60) of Gandhabpur village under this Upazila.Detained Md. Taskin ibn Ahad (30), son of M.A. Wahed Miah of the area.OC said, “Vishnu was sitting alone at the house at noon. At this time, Taskin jumped into his house and cut off his head from the body and killed Vishnu. “Immediately after the incident, police raided Md. Taskin ibn Ahad (30) from Sakura Bazar area, said OC.The police official said, “chopper and a bloody shirt has been seized from the scene. The cause of the killings is not immediately known. “The bodies were sent to Netrokona Sadar Hospital morgue for autopsy.Report by: Nihar Ranjan Biswas.